মেহেরপুরে পরীক্ষামূলকভাবে বারি-৫ জাতের পেঁয়াজ চাষে সফলতা

মেহেরপুরে গ্রীষ্মকালে পরীক্ষামূলক পেঁয়াজ চাষে সফলতার মুখ দেখেছেন কৃষকরা। পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন-পিকেএসএফের সহায়তায় বারী-৫ জাতের নতুন এই পেঁয়াজ চাষ করে এরই মধ্যে সফল হয়েছেন তারা। এতে দেশে পেঁয়াজের ঘাটতি ও সঙ্কট পূরণ হবে বলছে কৃষি অধিদপ্তর।    

বাংলাদেশ মসলা গবেষণা কেন্দ্রের উদ্ভাবিত বারি-৫ জাতের পেঁয়াজের বীজ নিয়ে মেহেরপুরে প্রথম পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন-পিকেএসএফের সহায়তায় পরীক্ষামূলকভাবে আবাদ শুরু করে কৃষকরা।

এতে সফলতাও পেয়েছে সেখানকার কৃষকরা। এই জাতের পেঁয়াজ প্রতি বিঘায় চাষ করতে খরচ হয় ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা। বিঘায় ১২০ থেকে ১৫০ মন পেঁয়াজ উৎপাদন হয়। সেই হিসাবে প্রতি বিঘায় প্রায় ৩ লাখ টাকা আয় হয়।

কৃষকরা বলছে- এই পেঁয়াজ সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা গেলে বছরে পেঁয়াজের যেমন ঘাটতি হবেনা।  তেমনি চাষীও পেঁয়াজ নায্য দামে সারাবছর পেঁয়াজ বিক্রি করতে পারবে।

আর পিকেএসএফ কতৃপক্ষ বলেছে প্রতি চাষীকে পেঁয়াজ সংরক্ষণের ব্যবস্থা করে দেয়া হচ্ছে। পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন সিনিয়র মহাব্যবস্থাপক ড. আকন্দ মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম জানান,’পেয়াজ তোলার পর যেন দ্রুত নষ্ট হয়ে না যায় অথবা পেঁয়াজ কমদামে বিক্রি করতে না হয়, সে জন্য আমরা সংরক্ষণাগার করে দিয়েছি।’

এই জাতের পেঁয়াজ আবাদের মাধ্যমে গ্রীষ্মকালীন চাহিদা পূরণ হবে বলে জানালেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের এই কর্মকর্তা। কৃষি মন্ত্রণালয় এক্সপার্ট পুলের সদস্য মোহাম্মদ হামিদুর রহমান বলেন,’গ্রীষ্মকালে আমরা যদি পাঁচ থেকে সাত মেট্রিকটন পেঁয়াজ উৎপাদন করতে পারি তবে, আমাদের দুই তিন মাসের যে চাহিদা সেটা এই গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ দিয়ে পুরন করতে পারবো।’

মেহেরপুরে এবার প্রায় ৯০ হেক্টর জমিতে বারী-৫ জাতের এই পেঁয়াজের চাষ হয়েছে।