মেহেদীই হারিয়ে দিল কুমিল্লাকে

মেহেদী হাসান যেন আজকের ম্যাচের সুনীল নারাইন। বল হাতে কুমিল্লা ওয়ারিয়র্সকে শাসন করার পর ব্যাট হাতেও করেছেন একই কাজ। ব্যাট হাতে যা তামিম, বিজয়, আফ্রিদিরা পারেননি, সেটাই করে দেখিয়েছেন।

তার ৭ ছয় আর দুই চারে মিলে ২৯ বলে ৫৯ রানের ইনিংসে ভর করেই ম্যাচ জয় মোটামুটি নিশ্চিত করে ফেলে ঢাকা প্লাটুন।এক দিনের বিরতি শেষে আজ দিনের প্রথম ম্যাচে খেলতে নামে ঢাকা প্লাটুন ও কুমিল্লা ওয়ারিয়র্স। টস জিতে ঢাকার অধিনায়ক ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানায় কুমিল্লাকে।ব্যাট করতে নেমে ওপেনার সৌম্য সরকার ৬ বলে ১০ রান করে ফেরেন মেহেদী হাসানের বলে বোল্ড হয়ে। এরপর সাব্বির রহমানও রানার বলে ক্যাচ দিয়ে ৭ বলে শূন্য রানে ফেরেন সাজঘরে। ডেভিড মালানও থিতু হতে পারেননি। ১৭ বলে ৯ রান করে ফেরেন শাদাব খানের বলে।তবে অদ্ভুত কাণ্ড ঘটে ইনিংসের পঞ্চম ওভারের সময়। ওহাব রিয়াজের বলে ক্যাচ দিয়ে আম্পায়ারের সিদ্ধান্তের আগেই সাজঘরে ফেরেন ভানুকা রাজাপাকসে।তার বদলে ইয়াসির আলী আসেন উইকেটে। কিন্তু টিভি আম্পায়ার মোর্শেদ আলী খান জানান, এটি নো বল ছিল।আম্পায়ারের সিগন্যাল পেয়ে আবারও ব্যাট করতে আসেন ভানুকা। ২৪ রানে ফিরে যাওয়া রাজাপাকসে শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থেকে যান ৯৬ রানে। ইয়াসির আলীও খেলেন অপরাজিত ৩০ রানের ইনিংস।

২০ ওভার শেষে কুমিল্লার সংগ্রহ দাঁড়ায় ৩ উইকেটে ১৬০ রান। মেহেদী হাসান নেন ২ উইকেট, ১ উইকেট নেন শাদাব খান।জবাবে ব্যাট করতে নেমে প্লাটুন ওপেনার এনামুল হক ফেরেন শূন্য রানে। দুই নম্বরে নামিয়ে দেয়া হয় মেহেদী হাসানকে। ব্যাট করতে নেমে চার-ছয়ের ঝড় ওঠান রানা। ২৯ বলে ৫৯ রান করে বিদায় নেন আল-আমীনের বলে ক্যাচ দিয়ে।এক ম্যাচ না খেলা তামিম ইকবাল আজ খেলেন ৪০ বলে ৩৪ রানের ইনিংস। মিডল অর্ডারের দুই ব্যাটসম্যান আসিফ আলী আর জাকের আলী পর পর উইকেট দেন মুজিবের বলে। দুজনই ফেরেন খালি হাতে।এরপর ছয় আর সাত নম্বরে ব্যাট করা মুমিনুল হক ও শাহিদ আফ্রিদি মিলে ৩৯ রানের জুটি গড়ে জয় এনে দেন ঢাকাকে। আফ্রিদি করেন ১৬ বলে ২৬ ও মুমিনুল করেন ২৬ বলে ২৮ রান।কুমিল্লার হয়ে ২ উইকেট নেন মুজিব উর রহমান। এছাড়া ১টি করে উইকেট নেন রবিউল, আল-আমীন ও সৌম্য সরকার।