মেটাভার্স আসলে কী?

কোম্পানির নাম পরিবর্তনের পরিকল্পনা করছে ফেসবুক। ২৮ অক্টোবর ফেসবুকের নতুন নাম ঘোষণা করা হতে পারে। সম্প্রতি দ্য ভার্জে প্রকাশিত একটি রিপোর্টে এই খবর এসেছে।

বিগত কয়েক বছর ধরেই ভার্চুয়াল রিয়েলিটি ও অগমেন্টেড রিয়েলিটি নিয়ে গবেষণার কাজ করছিল ফেসবুক।

সোশ্যাল মিডিয়া কোম্পানির থেকে নিজের পরিচয় পরিবর্তন করতেই নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ফেসবুক।

ইতিমধ্যেই মেটাভার্সের জন্য ৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা দিয়েছেন মার্ক জাকারবার্গ। এর ফলে ইউরোপে ১০,০০০ নতুন কর্মসংস্থান হবে বলে জানানো হয়েছে।

কিন্তু মেটাভার্স আসলে কী?

এই প্রশ্নের একাধিক উত্তর হতে পারে। কিন্তু এই প্রশ্নের সহজ উত্তর হল মেটাভার্স একটি সমান্তরাল ভার্চুয়াল দুনিয়া। সেখানে বিভিন্ন চরিত্র পরিচয় ও জিনিসপত্র থাকবে।

ইন্টারনেট জামানার পরে মেটাভার্স জনপ্রিয়তা পেতে পারে। তবে সিলিকন ভ্যালির গবেষকরা মনে করেন ফিজিকাল ও ডিজিটাল দুনিয়ায় উপস্থিত থাকবে মেটাভার্স।

তবে একটিমাত্র কোম্পানির মাধ্যমে মেটাভার্স তৈরি সম্ভব নয়। তাই ফেসবুক ছাড়াও আরও অনেক কোম্পানি মেটাভার্স তৈরির কাজ শুরু করে দিয়েছে।

মেটাভার্স কীভাবে কাজ করবে?

ডিজিটাল স্পেস, ভার্চুয়াল রিয়েলিটি গেম, একটি ভার্চুয়াল দুনিয়া অথবা ফোর্টনাইটের মতো সামান্য এক গেমও মেটাভার্স হিসেবে কাজ করতে পারে।

সম্প্রতি ফোর্টনাইট একটি ‘মিউজিক এক্সপেরিয়েন্স’ আয়োজন করেছিল। সেখানে গেমের মধ্যে শিল্পীদের সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হচ্ছিল। অর্থাৎ গেমের মধ্যেই ব্র্যান্ড নিজেদের প্রোডাক্ট শোকেস করতে পারবে।

মেটাভার্সের মাধ্যমে গ্রাহক ভার্চুয়াল সার্ভিস পাবেন। এছাড়াও ক্রিপ্টোকারেন্সির মাধ্যমে ভার্চুয়াল অ্যাসেট তৈরি করা যাবে।