মৃত্যুর মিছিলে ১৫৪ চিকিৎসক

দেশে করোনা আক্রান্ত হয়ে ১৫৪ জন চিকিৎসক মারা গেছেন। আক্রান্ত হয়েছেন ২ হাজার ৯১১ জন

চিকিৎসক। একই সময়ে সারা দেশে ২ হাজার নার্স এবং ৩ হাজার ২৯৬ জন স্বাস্থ্যকর্মী করোনায় আক্রান্ত হন।

বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশনের (বিএমএ)  এ তথ্য জানিয়েছে। বিএমএ’র পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, শুধু

গত   বছরের জুন মাসে মারা গেছেন ৪৫ জন চিকিৎসক। যার মধ্যে ৪ঠা জুন একদিনেই পাঁচজন চিকিৎসক

মারা যান। যেটা ছিল একদিনে সর্বোচ্চসংখ্যক চিকিৎসকের মৃত্যুর ঘটনা। করোনা হানা দেয়ার পর থেকেই চিকিৎসকদের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি হয়।

করোনার দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হওয়ার পর গত ২৪ দিনে ১৫ চিকিৎসকের মৃত্যু হয়। করোনায় দেশে প্রথম

চিকিৎসকের মৃত্যু হয় গত বছরের ১৫ই এপ্রিল। সিলেটের এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজের মেডিসিন

বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মঈন উদ্দীন আহমেদ ওইদিন মারা যান। গত শনিবার রাজধানীর ন্যাশনাল

ইনস্টিটিউট অব ল্যাবরেটরি মেডিসিন অ্যান্ড রেফারেল সেন্টারের পরিচালক ডা. আবুল খায়ের মোহাম্মদ

সামসুজ্জামান মারা যান। এর আগে গত ১৭ই এপ্রিল বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজের

সাবেক অধ্যক্ষ আবু আহমেদ আশরাফ আলী মারা যান। গত বছরের জুনে প্রতিদিনই দেশের কোনো না কোনো

এলাকা থেকে আসত চিকিৎসকের মৃত্যুর খবর। মাঝে মৃত্যুর সংখ্যা কমলেও চলতি বছরের এপ্রিলে এসে আবার

তা বেড়ে যায়। প্ল্যাটফর্ম অব মেডিকেল এন্ড ডেন্টাল সোসাইটির তথ্যসূত্র জানায়, গত মঙ্গলবার পর্যন্ত সারা

দেশে করোনা আক্রান্ত হয়ে, করোনার উপসর্গ নিয়ে মোট ২০০ জন চিকিৎসক মারা গেছেন। জনস্বাস্থ্য

বিশেষজ্ঞদের মতে, চলতি বছরে নতুন ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত থেকে শুরু করে নানা কারণে বেড়েছে

চিকিৎসকদের মৃত্যু।