মুজিববর্ষের উদ্বোধনী আয়োজন হবে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে

জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে হচ্ছে না মুজিববর্ষ উদ্বোধনী আয়োজন, তবে সব চ্যানেলে রাত ৮টা থেকে একযোগে সম্প্রচার করা হবে বলে জানিয়েছেন মুজিববর্ষ উদযাপন কমিটির প্রধান সমন্বয়ক কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী।

সোমবার (১৬ই মার্চ) বিকালে, রাজধানীর সেগুনবাগিচায় মাতৃভাষা ইন্সটিটিউটে এ সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তিনি। এসময় নাসের চৌধুরী আরও জানান, মঙ্গলবার রাত ৮টায় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আতশবাজির মাধ্যমে শুরু হবে উদ্বোধনী আয়োজন। তবে তাতে জনসমাগম থাকবে না। দুই ঘন্টাব্যাপী প্রোগ্রাম আমরা সাজিয়েছি। উদ্বোধন আয়োজন টিভির মাধ্যমে মানুষ দেখতে পারবে। এরপর সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় লেজার শো হবে।

তিনি আরও জানান, আয়োজনের নাম ‘মুক্তির মহানায়ক’। আতশবাজির পর জাতীয় সংগীত পরিবেশিত হবে। রাষ্ট্রপতি ভাষণ দেবেন। এরপর হবে শত শিশুর কণ্ঠে গান। তারপর প্রধানমন্ত্রী ভাষণ দেবেন জাতির উদ্দেশ্যে। অনুভূতি ব্যক্ত করবেন শেখ রেহানা। এরপর, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আবৃত্তি করবেন শেখ রেহানার লেখা কবিতা, যাতে বাবাহারা কন্যার নিয়ে আকুতি ফুটে উঠেছে। এদিন প্রচারিত হবে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান ও সরকার প্রধানদের ভাষণ। রেকর্ড করা হয়েছে ভাষণ। থাকবে ভারত, নেপাল, ভুটানের প্রধানমন্ত্রী ও জাতিসংঘ এবং ওআইসি মহাসচিবের ভাষণ। এরপরে জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় হবে পিক্সেল ম্যাপিং, সেখানে থাজবে লেজার শো। এছাড়া রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে দুই সিটি করপোরেশন আতশবাজির আয়োজন করবে। এর আগে বিকাল ৫টায় গণভবনে স্মারক ডাকটিকিট ও স্যুভেনির উন্মোচন করবেন শেখ হাসিনা। এছাড়া, মুজিববর্ষের থিম সঙে কণ্ঠ দিয়েছেন শেখ রেহানা। টুঙ্গীপাড়ায় প্রোগ্রাম হবে, তবে সেখানে কোনো শিশু সমাবেশ হবে না। জনস্বাস্থ্য বিবেচনায়, ১৭ই মার্চে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কোনো অনুষ্ঠান হবে না।