মিঠাপুকুরে গরু চুরির হিড়িক আতংকে এলাকাবাসী, পুলিশের অভিযান শুরু

 আমিরুল কবির সুজন, মিঠাপুকুর (রংপুর) প্রতিনিধি: রংপুরের মিঠাপুকুরে গরু চুরির হিড়িক পড়েছে। গত ১০ দিনে ১৪টির বেশি গরু চুরি হয়েছে। এ ঘটনার পর বিভিন্ন গ্রামের জনমনে আতঙ্ক বিরাজ করছে । বৃহস্পতিবার রাতে চোর চক্রের ৩জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এলাকবাসি সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার দূর্গাপুর ইউনিয়নের কাশিপুর গ্রামের কৃষক আবদুল কাদের মিয়ার ২টি, তাঁর ছেলে আহসান হাবিব আপেলের ২টি, একই গ্রামের স্বামী পরিত্যক্তা ছায়মা বেগমের ৫টি গরু বুধবার রাতে চুরি হয়।

একইদিনে উপজেলার রানীপুকুর ইউনিয়নের মোলংহাট নয়াপাড়া গ্রামের শাহাজাদা মিয়ার একটি গরু চুরি হয়। এর আগে মঙ্গলবার রাতে উপজেলার লতিবপুর ইউনিয়নের হাতিমপুর গ্রামের দুদু ফকিরের ৪টি গরু চুরি হয়। ৮দিন আগে (শুক্রবার) একই গ্রামের আরও এক কৃষক বাবলু মিয়ার ২টি গরু চুরি হয়েছে। কাশিপুর, মামুদপুর, হাবিবপুর, পাইকান, নয়াপাড়া, লতিবপুর, আফজালপুর, জলছত্তর, হাতিমপুরসহ ২০টিরও বেশি গ্রামে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছে কৃষক।

রানীপুকুর ইউনিয়ের পাইকান গ্রামের মেহেদী হাসান, আফজালপুরের সজিব, হাবিবপুরের শাহজাহান মিয়া, জলছত্তর গ্রামের আজমাউল বলেন, সব জায়গায় গরু চুরি আতঙ্ক শুরু হয়েছে। গরু চুরি প্রতিরোধে আমরা গ্রামের প্রবেশপথে রাতে পাহারার ব্যবস্থা করেছি।’ তবে, গরু চুরি প্রতিরোধে পুলিশ প্রশাসনও মাঠে নেমেছে। ৩ চোরকে আটক করেছে পুলিশ।

তারা হলো- লতিবপুর ইউনিয়নের পাইকান গ্রামের সাকাত আলীর ছেলে বাহাদুর মিয়া (২৮), একই গ্রামের সেরাজুলের ছেলে শাকিল মিয়া (২২) ও রানীপুকুর ইউনিয়নের মোলং হাট নয়াপাড়া গ্রামের ইব্রাহিমের ছেলে রিপুল মিয়া (২৫)। এদের মধ্যে বাহাদুর ও শাকিলের বিরুদ্ধে ইতোপূর্বে মাদকদ্রব্যের মামলা আছে বলে জানা গেছে। মিঠাপুকুর থানার ওসি জাফর আলী বিশ্বাস বলেন, গরু চুরি প্রতিরোধে পুুলিশের পক্ষ থেকে বিভিন্ন ধরনের পদক্ষেপ গ্রহন করা হয়েছে। চোর ধরতে চিরুনী অভিযান চলছে। কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্যদেরও গ্রেপ্তারে জোরালো অভিযান শুরু হয়েছে।