মা ইলিশ রক্ষায় কাউকে ছাড় দেব না’অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর সার্কেল স্নিদ্ধা সরকার

বিপ্লব সরকার, চাঁদপুর প্রতিনিধিঃ চাঁদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর সার্কেল স্নিদ্ধা সরকার বলেন, আমি ইলিশ উৎসবে নিজেকে সম্পৃক্ত করতে পেরে সবাইকে ধন্যবাদ জানাই। সামনে মা ইলিশ অর্থাত ১৪অক্টোবর থেকে ২ নভেম্বর পযর্ন্ত ২২ দিন।সরকার অনেক দিন থেকে জেলে দের পূন বাসন করতে কাজ করছে।

আমরা চাষীদের জন্য কাজ করছি। মা ইলিশ না ধরার জন্য যে আইন করা হয়েছে তাতে জেলেদের উপকারে আসবে।আমি বলছি কাউকে ছাড়দেবনা। আমি র্যাবে কাজ করেছি দেখেছি নকল প্রসাধনী তৈরি করেছে, তাদের কে ধরেছি। তেমনি মা ইলিশ রক্ষায় কাউকে ছাড় দেবনা।

চাঁদপুরের ঐতিহ্য রূপালি ইলিশকে নিয়ে চতুরঙ্গ সাংস্কৃতিক সংগঠন জেগে উঠো মাটির টানে স্লোগানে কে নিয়ে ইলিশ উৎসব শুরু করে। এবছর গৌরবের এক যুগ পালন করা হচ্ছে। গত বৃহস্পতিবার বিকালে জাতীয় সঙ্গীতের মধ্যমে ইলিশ উৎসবের সূচনা করা হয়।

২ অক্টোবর শুক্রবার বিকেল ৪ টায় প্রথমেই নৃত্য বিষয়ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত পহয়।এর পর সংগীত প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন সুমা দত্ত,আরিশা লিমু, রাশেদুল রাব্বি (ভার্চ্যুয়েলে বিচারক ছিলেন কৃষ্ণা সাহা, তাহমিনা হারুন), অনিতা নন্দি, মৃণাল সরকার ও হারুন আল রশীদ। সংগীত প্রতিযোগীতা শেষে প্রীতিবিতর্ক অনুষ্ঠীত হয়। বিতর্কে অংশ গ্রহন করে। মডারেটর জাহিদুর রহমান নিরব ও সভাপ্রধান রাশেদ শাহরিয়ার পলাশ। বিষয় ” ইলিশ সম্পদ সংরক্ষনে আইনের কঠোর প্রয়োগের চেয়ে জেলেদের উপযুক্ত প্রশিক্ষণ ” নিশ্চিত করা জরুরী চাঁদপুর কণ্ঠ বিতর্ক ফাউন্ডেশনের আয়োজনে এ প্রীতি বিতর্ক প্রতিযোগীতা।পক্ষ দল চাঁদপুর সরকারি কলেজ ও বিপক্ষ দলে চাঁদপুর সরকারি মহিলা কলেজ। পক্ষ দলের বিতারর্কি হলোঃ দলনেতা এহ্সানুল হক বাপ্পি, তানিয়া ইসলাম ও মারিয়া ইসলাম। বিপক্ষ দলের বিতারর্কিক হলোঃ সাদিয়ামুল নূর মিনফা, মুনিয়া খাতুন ও জান্নাতুল বুশরা।

রাতে গোল টেবিল বৈঠকে ইলিশ উৎসবের রূপকার হারুন আল রশীদের সঞ্চালনায় ও অ্যাডঃ বিনয় ভূষণ মজুমদারের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর সার্কেল স্নিদ্ধা সরকার। আরো বক্তব্য রাখেন, স্বর্নপদক প্রাপ্ত সমবায়ি জসীম উদ্দীন শেখ, পরেশ মালাকার, মহসীন পাঠান,সচিব তোফায়েল আহমেদ প্রমুখ।