মায়ের হাত ভেঙ্গে দিলেন কলেজ শিক্ষক

মো: নুর কুতুবুল আলম, বাগমারা প্রতিনিধি: রাজশাহীর বাগমারায় মায়ের হাত পিটিয়ে ভেঙ্গে দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে এক কলেজ শিক্ষকের বিরুদ্ধে। ওই শিক্ষক উপজেলার আউচপাড়া ইউনিয়নের মঙ্গলপুর গ্রামের মৃত ইব্রাহিম সরদারের ছেলে ঈসাহাক আলী (৪৫)। ঈসাহাক আলী সৈয়দপুর – মচমইল মহিলা ডিগ্রি কলেজের সিনিয়র প্রভাষক। ঘটনাটি ঘটে ১৪ই এপ্রিল মঙ্গলবার সন্ধায়।

এই ঘটনায় আজ রবিবার সন্ধায় (১৯ এপ্রিল) শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত বাগমারা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়েরের প্রস্তুতি চলছিল।

ঘটনা ও আহতের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ওই শিক্ষকের ছোট ভাই পাবনা সরকারি এ্যাডওয়ার্ড বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের মাষ্টার্স শ্রেণির শিক্ষার্থী ইস্রাইল বাড়ি আসেন। তিনি ঘরে মধ্যে অবস্থান করছিলেন। টয়লেট এবং ওযুর প্রয়োজনে বের হতেন। তা কোন ভাবেই মেনে নেননি বড় ভাই ঈসাহাক আলী। তা নিয়ে পারিবারিক দ্বন্দ্ব চলে আসছিল। ভাইকে মারধোর ও বাড়ি থেকে বের করে দিতে চাইছিলেন ঈসাহাক আলী। মা সুফিয়া বেওয়া (৬৫) বাধা দিলে তাঁকে পিটিয়ে হাত ভেঙ্গে দেয়া হয়। বয়োবৃদ্ধ মায়ের অপর সন্তান সেনাসদস্য ইস্রাফিল জানান, এর পূর্বেও মাকে ভাইয়া মানসিক, শারীরিক নির্যাতন চালিয়েছেন।

তিনি আরও জানান, পৈত্রিক ধন-সম্পত্তি ভাগ বাটোয়ারা ছাড়া বেশী ভোগ দখলে রয়েছেন বড় ভাইয়া ঈসাহাক আলী। সেগুলি বুঝিয়ে চাইলে ছোট ভাইদের উপর জুলুম নির্যাতন চালান। এ ঘটনায় প্রতিবেশীদেরও হতাশা প্রকাশ করতে শোনা গেছে। অভিযুক্ত ঈসাহাক আলীর কাছে মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ছোট ভাই হোম কোয়ারিন্টাইন না মানায় একটু শাসন করেছি, মায়ের হাত কী ভাবে ভাঙ্গল তা বুঝতে পারছি না। মুঠোফোনে বাগমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আতাউর রহমান জানান, কেহ অভিযোগ নিয়ে আসেনি, বিষয়টি সমন্ধে খোঁজ নেয়া হবে।