মাস্ক না পরায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গণহারে মারধর

করোনা প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলাবাহিনী তৎপর হয়েছে সারাদেশে। সামাজিক দুরত্ব আর মানুষের ঘরে থাকাকে নিশ্চিত করাই তাদের কাজ। তবুও মাস্ক না পরার কারণে গণহারে মানুষকে পেটানোয় উস্কে উঠেছে বিতর্ক। এ নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলছেন, মানুষকে নিরাপদে রাখতেই কাজ করছে পুলিশ। আর করোনা

প্রতিরোধে করা জাতীয় কমিটির প্রধান বলছেন, মাস্ক পরা সবার জন্য জরুরি না, তাই মারধর করাটা অযৌক্তিক।মানুষের ঘরে থাকা নিরাপদে থাকাই করোনা প্রতিরোধে সবচেয়ে বেশি জরুরি। তাই সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতে সরকারের নির্দেশে মাঠে নেমেছে সেনাবাহিনী ও পুলিশ।কিন্তু বিতর্ক উস্কে দিয়েছে পুলিশের কিছু কর্মকান্ড। বিভিন্ন স্থানে মুখে মাস্ক না থাকায় মানুষের ওপর চড়াও হয় কিছু পুলিশ সদস্য। যদিও সরকার শুরু থেকে বলে এসেছিল, মাস্ক পড়াটা সবার জন্য জরুরি নয়।এ নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মুখোমুখি হলে মাস্কের জন্য পুলিশের আগ্রাসী মনোভাবের বিষয়টি এড়িয়ে যান তিনি। বলেন, সড়ক পরিচ্ছন্ন রাখতে, মানুষকে ঘরে রাখতেই কাজ করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।করোনা প্রতিরোধে সার্বিক বিষয় তদারকি করতে একটি জাতীয় কমিটি করেছে সরকার। কমিটির প্রধান বলছেন, আক্রান্ত ব্যক্তি এবং তাকে যারা সেবা দেবেন, শুধু তাদেরই ঘরে/বাইরে/হাসপাতালে তাদের মাস্ক পড়তে হবে। অন্যদের জন্য এটি জরুরি নয়।পরামর্শ দেন, করোনা প্রতিরোধে পুষ্টিকর খাবার এবং মৌলিক স্বাস্থ্যবিধি মেনে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোরও বিকল্প নেই।