মালয়েশিয়ায় ভিসার অপব্যবহার ছালা কিরজার অভিযোগে ৬ বাংলাদেশী সহ গ্রেফতার ১২

আশরাফুল মামুন, মালয়েশিয়া প্রতিনিধি: মালয়েশিয়ায় বর্তমানে শর্ত সাপেক্ষে শিথিল করা লকডাউন এবং কোভিড-১৯ নেতিবাচক পরিস্থিতি পুনরুদ্ধারে সরকার ঘোষিত (পিকেপিপি) চলমান অবস্থায় ওয়ার্ক পারমিটের অপব্যবহার মালয়েশিয়ান ভাষায় যাকে বলা হয় ছালা কিরজার অভিযোগে ৬ জন বাংলাদেশী নাগরিক সহ ১২ জন কে গ্রেফতার করেছে দেশটির ইমিগ্রেশন পুলিশ।

আটককৃত বাকী ৬ জন ভারতীয়। শুক্রবার (১৯ জুন) বিকালে (জাবাতান ইমিগ্রেশন মালয়েশিয়া) দেশটির অভিবাসন বিভাগের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এর আগে কুয়ালালামপুরের পেতালিং জায়া এলাকার ফিলিং স্টেশন, কার ওয়াশ ও স্টেশনারি দোকান থেকে তাদের কে অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ সময় তাদের কাছে এই সব সেক্টরে কাজ করার ওয়ার্ক পারমিট বা ভিসা ছিল না। তাদের কাছে যে কাজের বৈধ পারমিট বা ভিসা ছিল সেটা অন্য সেক্টরের এজন্য ভিসার শর্ত লংগন করার অপরাধে দেশটির প্রচলিত অভিবাসন আইন ১৯৫৯/৬৩ এর পাসপোর্ট আইন ১৯৬৬ এর ধারা অনুযায়ী তাদের গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করার প্রস্ততি চলছে।

তাদের প্রত্যেক কে কোভিড-১৯ পরীক্ষা করে ফলাফল নেগেটিভ আসায় ডিটেনশন ক্যাম্পে আটক রাখা হয়েছে পরবর্তী ব্যাবস্থা গ্রহনের জন্য। উল্লেখ্য যে, মালয়েশিয়ায় বিভিন্ন ক্যাটাগরির কাজের ভিসা রয়েছে যেমন কেউ যদি কন্সট্রাকশন খাতের ভিসা নিয়ে রেস্টুরেন্টে গিয়ে কাজ করেন আর দূর্ভাগ্যবশত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে ধরা পড়েন তাহলে এই শর্ত লংগন করার অপরাধে ভিসা বাতিল, তার জেল জরিমানা বা তাকে নিজ দেশেও ফেরত পাঠানো হতে পারে। বিজ্ঞপ্তিতে আরো বিস্তারিত বলা হয়েছে, পুনর্গঠন পরিকল্পনা (পিকেপিপি) আদেশ চলাকালীন এর অর্থ এই নয় যে এই দেশে বেআইনী কার্যক্রমের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

জাবাতান ইমিগ্রেশন মালয়েশিয়া (জেআইএম) নতুন কাজের পদ্ধতি বাস্তবায়ন এবং COVID-19 প্রতিরোধ ব্যবস্থাগুলির সাথে সম্মতি রেখে প্রয়োগকারী কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। এই অভিযানের সাথে জড়িত সকল ইমিগ্রেশন অফিসাররা সাবধানতা অবলম্বন করছেন এবং জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিল (এমকেএন) এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয় (এমওএইচ) কর্তৃক সিভিডির জন্য বিভাগের নতুন স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং পদ্ধতি (এসওপি) অনুসারে পরামর্শ ও পদ্ধতি কঠোরভাবে অনুসরণ করছেন।