মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশী জাল পাসপোর্ট ও ভিসা তৈরির একাধিক সিন্ডিকেট গ্রেফতার করেছে পুলিশ

আশরাফুল মামুন, মালয়েশিয়া প্রতিনিধিঃ মালয়েশিয়ায় ইমিগ্রেশন পুলিশের পৃথক পৃথক বিশেষ অভিযানে বাংলাদেশী জাল পাসপোর্ট ও ওয়ার্কিং পারমিট (জাল ভিসা) তৈরীর সরঞ্জাম সহ বাংলাদেশী একাধিক সিন্ডিকেট সদস্য কে গ্রেফতার করা হয়েছে ।

এসময় জালিয়াতির কাজে ব্যবহৃত ল্যাপটপ, প্রিন্টার, বিপুল পরিমাণ জাল পাসপোর্ট, ভূয়া ওয়ার্ক পারমিট, এবং নিশান প্রাইভেট কার জব্দ করা সহ পৃথকভাবে অভিযানে জালিয়াতির কাজে জড়িত ৩ জন বাংলাদেশী ও একজন মঙ্গোলিয়ান নারী সদস্য কে গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্তের স্বার্থে পুলিশ তাদের বিস্তারিত নাম ঠিকানা প্রকাশ করেনি।

শুক্রবার (১৪ আগষ্ট) মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে , প্রায় ২ মাস ধরে ইমিগ্রেশন বিভাগের গোয়েন্দা নজরদারি চালিয়ে এই চক্র গুলি কে আটক করতে সমর্থ হয়েছে । গত ৯ ই আগষ্ট ও ১০ ই আগষ্ট কুয়ালালামপুরের বিভিন্ন এলাকায় ক্লাং ভেলী, সেলাঙ্গর চেরাস আবাসিক ভবন ও জালান ক্লাং লামায় এসব অভিযান পরিচালনা করে তাদের আটক করা হয়েছে। আটককৃতদের মাঝে একজন বাংলাদেশী মালয়েশিয়ায় ১০ বছর ধরে অবস্থান করছেন এবং সে এসব জালিয়াতি করে জাল কাগজপত্র তৈরী করে মাসে মালয়েশিয়ান প্রায় ১০ হাজার রিংগিত যা বাংলাদেশী টাকায় ২ লক্ষ টাকা রেজগার করে বাংলাদেশে সেই অর্থ প্রেরণ করতো এবং এর আগে সে ১০০ জাল পাসপোর্ট তৈরি করেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো আরো জানানো হয়, পাসপোট ও পিএলকেএস পাস(কাজের ভিসা) জালিয়াতির জন্য অভিযুক্ত ব্যক্তিদের কে ইমিগ্রেশন অাইন ১৯৫৯ / ৬৩ এর ৫৫ (ঘ) ধারায় অপরাধ করার জন্য তাদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করা হয়েছে। আদালতে দোষী প্রমানিত হলে তাদের মালয়েশিয়া রিংগিত ৩০,০০০ যা বাংলাদেশী টাকায় ৬ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হতে পারে এবং পাঁচ (৫) বছর পর্যন্ত কারাদন্ডে দন্ডিত করা হতে পারে।

COVID-19 সম্পর্কিত স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ের নির্ধারিত স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং পদ্ধতি (এসওপি) অনুসারে এই অপারেশন করা হয়েছিল এবং সন্দেহভাজনকে পুত্রজায়া স্বাস্থ্য ক্লিনিকে স্ক্রিনিং টেস্টের জন্য প্রেরণ করার পর পরীক্ষার ফলাফল নেগেটিভ আসে, তাই তাদের সলক কে দেশটির প্রশাসনিক রাজধানী পুত্রজায়া ইমিগ্রেশন ডিটেনশন ডিপোতে আটক রাখা হয়েছে ।