মাগুরা সদরে এক ট্রাক নারায়নগঞ্জ ফেরত মানুষকে আটক: নির্বাহী কর্মকর্তা

কৌশিক আহম্মেদ সোহাগ গতকাল মাগুরা-রাজবাড়ী সড়ক লকডাউন করা হয়েছে মাগুরা জেলা প্রশাসকের এক নির্দেশনায়। এরপরও প্রশাসনের চোঁখ ফাকি দিয়ে মাগুরা মহাসড়ক দিয়ে যাওয়া এক ট্রাক মানুষকে সন্দেভাজন হিসাবে ধরলেন মাগুরা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু সুফিয়ান। মঙ্গলবার বেলা ১১ টায় মাগুরা ভায়না এলাকায় ট্রাকভর্তি মানুষ আটকের ঘটনাটি ঘটে। এই কর্মকর্তা জানান,মাগুরা কাঁচাবাজারের ওখানে বর্তমান পরিস্থিতির কারনে মানুষকে সচেতন এবং সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে দায়িত্ব পালন করছিলাম। এমন সময় বেলা এগারটায় মাগুরা পাইকারী কাঁচা বাজার সংলগ্ন মহাসড়ক দিয়ে একটি চলমানরত অবস্থায় ট্রাক চোঁখে পড়ে। ট্রাকের চারপাশে কিছূ মানুষের উৎসুক মাথা দেখতে পাওয়া যায়। সন্দেহ হলে আমি থামতে বলি,কিন্তু থামানোর কথা শূনে ট্রাকের গতি বাড়তে থাকে। সেটি ভায়না মোড়ের দিকে দ্রুত চলা শূরু করে। তখন আমার গাড়ি নিয়ে তাদেরকে পাকড়াও করি। ভায়নার দিকে যেতে অবশেষে তারা ট্রাকটি স্থানীয় ফিলিংষ্টেশনে থামায়। পরে ট্রাকের ভেতর থেকে ৫০ জনের বেশি দরিদ্র মানুষকে বের হয়ে আসতে দেখি । পালিয়ে আসা মানুষ এবং ট্রাকের ড্রাইভারের ভাষ্যমতে তারা নারায়নগন্জ থেকে আসছে এবং মাগুরা হয়ে ঝিনাইদহ পর্যন্ত তাদের গন্তব্য। এজন্য জন প্রতি ট্রাক ড্রাইভারকে ভাড়ার অতিরিক্ত ৬ হাজার টাকা চৃুক্তি হয়েছে এ সকলের মানুষের । তাদের বাড়ি দক্ষিনাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায়। পরে ট্রাকে থাকা সবাইকে স্যানিটাইজ করা হয় এবং মাগুরা থেকে শালিখা উপজেলায় পৌঁছে দেয়া হয় । শালিখা উপজেলা প্রশাসন ট্রাকভর্তি মানুষগুলোকে নিয়ে যশোর বাঘারপাড়ার দিকে নিয়ে যাওয়ার কথা। ঘটনাস্থলে উপস্থিত মাগুরা সিভিল সার্জন প্রদীপ কুমার সাহা সাংবাদিকদের জানান,এখানে যারা ট্রাকে করে এসেছেন তারা কেউ করোনা উপসর্গের কিছূ বহন করছে না বলে প্রাথমিক ভাবে আমরা স্বাস্থ্য বিভাগ বিষয়টি দেখেছি। যারা এই ট্রাকে আছেন তারা বেশির ভাগই হতদরিদ্র। ঢাকা সহ নারায়নগন্জ থেকে তারা আসছে বলে জানা গেছে। এ সময় জেলা পুলিশ সহ বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আটককৃত মানুষগুলো সহ ট্রাকটি ঘিরে রাখে। পরে তাদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ছেড়ে দেয়া হয়।