মন্দির ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম-এর কারিকুলাম কমিটির সভায় এমপি গোপাল

মোঃ নাজমুল ইসলাম নয়ন,  দিনাজপুর প্রতিনিধি: সমাজের অনৈতিকতা ও অবক্ষয় রোধে আমাদের সন্তানদের ধর্মীয় শিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে। আমরা অভিভাবকরা বর্তমানে শুধুমাত্র পুঁথিগত বিদ্যার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছি।

এ প্লাস কিংবা সেরা ফলাফল লাভের জন্য মরিয়া হয়ে ঘুরি। কিন্তু সন্তানকে আদর্শ মানুষ গড়ার চিন্তা আমাদের থাকে না। এ কারনে সমাজে নানা হানাহানি আর সহিংসতা তথা অবক্ষয়ের জন্ম হচ্ছে। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে সন্তানদের ধর্মীয় শিক্ষা দেয়ার কোন বিকল্প নেই।

কোন ধর্মই মানুষকে খারাপ কিছু শেখায় না। কাজেই কেবলমাত্র ধর্মীয় জ্ঞানই মানুষকে অন্যায়-অপকর্ম থেকে দূরে রাখতে পারে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার মুসলিম জনগোষ্ঠীর মসজিদ ভিত্তিক গণশিক্ষার পাশাপাশি হিন্দু ধর্মাবলম্বী মানুষের জন্য মন্দিরভিত্তিক গণশিক্ষা চালু করেছেন।

এর মধ্য দিয়ে আমাদের সন্তানেরা গণশিক্ষা এবং ধর্মীয় শিক্ষায় শিক্ষিত হতে পারবে। আমাদের সবাইকে আন্তরিকভাবে কাজ করার মধ্য দিয়ে এ উদ্যোগ সফল করে তুলতে হবে। হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের প্রতিটি সদস্যদের এক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।

মন্দির ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম-৫ম পর্যায় (১ম সংশোধন) এর কারিকুলাম কমিটির সভায় বক্তব্যদানকালে হিন্দু কল্যাণ ট্রাস্টের সিনিয়র ভাইস-প্রেসিডেন্ট ও দিনাজপুর-১ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য মনোরঞ্জন শীল গোপাল উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।

৭ সেপ্টেম্বর সোমবার রাজধানী ঢাকার পরিবাগস্থ হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের উদ্যোগে আয়োজিত এ সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন কল্যাণ ট্রাস্টের সচিব বিষ্ণু কুমার সরকারসহ প্রকল্পের পিডি, সম্মানিত ট্রাস্টিবৃন্দ। সভায় হিন্দুদের কল্যাণে নানা উদ্যোগ গ্রহণের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।