মতলব উত্তর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ দশটি বাড়ি লকডাউন

মোহাম্মদ বিপ্লব সরকার , মতলব (চাঁদপুর) প্রতিনিধি:  চাঁদপুর জেলার মতলব উত্তর উপজেলায় করোনায় আক্রান্ত যুবকের (৩২) সংস্পর্শে আসা ১১জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।

শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সকালে তাদের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। এর মধ্যে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক, ল্যাব টেকনোলজিস্ট, অ্যাম্বুলেন্স চালক, আক্রান্তের পরিবারের সদস্যও রয়েছে।

এসব নমুনা পরীক্ষার জন্য ঢাকার আইইডিসিআর-এ পাঠানো হয়েছে।চাঁদপুরের সিভিল সার্জন ডা. মোঃ সাখাওয়াত উল্লাহ শুক্রবার বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও রোগীর আশে পাশের দশটি বাড়ি লকডাউন করা হয়েছে। বিশেষ করে ওই রোগী যেসব স্থানে পূর্বে এসেছিলেন অর্থাৎ জরুরী বিভাগ, ল্যাব রুম, বহিঃবিভাগ প্রভৃতি কক্ষ জীবাণু ও ভাইরাসমুক্ত করণে বিশেষ কার্যক্রম চলছে। ইতমেেধ্য আক্রান্ত রোগীর আশে পাশের দশটি বাড়ি লকডাউন করা হয়েছে।

করোনায় আক্রান্ত যুবকের (৩২) সংস্পর্শে আসা ১১জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। শুক্রবার সকালে তাদের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। এর মধ্যে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক, ল্যাব টেকনোলজিস্ট, অ্যাম্বুলেন্স চালক, আক্রান্তের পরিবারের সদস্যও রয়েছে। এসব নমুনা পরীক্ষার জন্য ঢাকার আইইডিসিআর-এ পাঠানো হয়েছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ নুসরাত জাহান মিথেন জানান, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আইসোলেশনে রাখা হবে। তারা ভালো আছে। ঠিকমতো খাওয়া দাওয়া করছে। অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা পাঠানো হবে। আক্রান্ত যুবকের (৩২) সংস্পর্শে আসা ১১জনের নমুনা সংগ্রহ করে নমুনা পরীক্ষার জন্য ঢাকার আইইডিসিআর-এ পাঠানো হয়েছে।

উল্লেখ্য গত বৃহস্পতিবার চাঁদপুরে মতলব উত্তর উপজেলায় করোনায় আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে। এই প্রথম চাঁদপুর জেলায় করোনায় আক্রান্ত রোগী সনাক্ত হলো। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টায় সনাক্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ নুসরাত জাহান মিথেন। রাত সোয়া ১টায় করোনায় আক্রান্ত রোগী ও তার স্ত্রীকে বাড়ি থেকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আইসোলেশনে নেওয়া হয়েছে।

আক্রান্ত ৩২ বছর বয়সী ওই যুবকের পৈত্রিক বাড়ি রংপুরে। নারায়ণগঞ্জের লঞ্চঘাট সংলগ্ন একটি গেঞ্জির হোসিয়ারিতে চাকুরি করতো। গত ৫ এপ্রিল সন্ধ্যায় জ্বর নিয়ে চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় তার শ্বশুর বাড়িতে চলে আসে। সে আসলে এলাকায় মানুষ তাকে বাধা দেয়। পরে সন্দেহভাজন রোগী হিসেবে গত সোমবার(৬ এপ্রিল) তার নমুনা সংগ্রহ করা হয়। বৃহস্পতিবার তার করোনা টেস্টের রিপোর্ট পজেটিভ বলে জানা যায়।

এদিকে লকডাউনে থাকা পরিবার গুলো অত্যন্ত গরীব। প্রতিদিন কাজ না করলে সংসার চলে না। এ পরিবার গুলোর পাশে থাকা প্রয়োজন।