ভ্যাকসিন রপ্তানির বিষয়টি নিয়ে ভারতের সাথে যোগাযোগ করা হয়েছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

বহুল প্রত্যাশিত যে ভ্যাকসিনের দিকে তাকিয়ে ছিলো বাংলাদেশ; সেই অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে ভারত। এ তথ্য জানিয়েছেন সিরাম ইনস্টিটিউটের প্রধান আদর পুনাওয়ালা। এ নিষেধাজ্ঞায় মার্চের আগে ভ্যাকসিন পাচ্ছে না বাংলাদেশ।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, ভ্যাকসিন রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি নিয়ে, ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাথে যোগাযোগ করা হয়েছে। তারা বিষয়টি জানে না বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশকে। আশা করেন, বাংলাদেশের বিষয়ে বিশেষ ব্যবস্থা নেবে ভারত।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, একটি ভ্যাকসিনের উপর নির্ভরশীল থাকা উচিত নয়। আর ভ্যাকসিন নির্বাচনের বিষয়টি আরো স্বচ্ছ এবং বৈজ্ঞানিক ভিত্তিতে হওয়া উচিত ছিলো।
অক্সফোর্ডের ফর্মুলায় অ্যাস্ট্রাজেনেকার তৈরি করোনার ভ্যাকসিন চ্যাডক্স ওয়ান এন কভ নাইনটিন। এই ভ্যাকসিনটির দাম অন্যান্য ভ্যাকসিনের তুলনায় অনেকটাই কম।
আর তা পেতে গেলো নভেম্বরে ত্রিপক্ষীয় চুক্তি হয় বাংলাদেশ সরকার, সিরাম ইনস্টিটউট এবং বেক্সিমকো ফার্মার সাথে। এরপরই স্বাক্ষরিত হয় ক্রয়াদেশ চুক্তি। ভ্যাকসিনটি যুক্তরাজ্যে অনুমোদনের পর ৩ জানুয়ারি ভারত সরকার তা জরুরি ব্যবহারে অনুমোদন দেয়।
তবে সিরাম ইনস্টিটিউটের প্রধান আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থাকে এপিকে জানায়, কয়েকমাসের জন্য এই ভ্যাকসিন রপ্তানিতে নিষধাজ্ঞা দিয়েছে ভারত সরকার। তিনি আরো জানান, ভারতের সাধারণ মানুষের চাহিদা পূরণের পরেই তা রপ্তানির অনুমোদন দেয়া হবে।