ভৈরব ষ্টেশন থেকে কম্পিউটার চুরি, যাত্রীদের টিকিট পেতে দুর্ভোগ

Exif_JPEG_420

জয়নাল আবেদীন রিটন, ভৈরব প্রতিনিধি: ভৈরব রেলওয়ে জংশন ষ্টেশনের টিকিট কাউন্টারের কম্পিউটার রুম থেকে একটি কম্পিউটার চুরির ঘটনা ঘটেছে।  শুক্রবার (৩ জানুয়ারি) দুপুর বেলায় এই চুরির ঘটনা ঘটে। কম্পিউটার চুরি হয়ে যাওয়ায় কয়েক ঘন্টা টিকিট বিক্রি বন্ধ থাকে। ৬ ঘন্টা পর্যন্ত হাতে লিখে টিকিট বিক্রি করায় যাত্রীদের দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। টিকিট কাটতে না পেরে বাধ্য হয়ে অধিকাংশ যাত্রীরা বিনা টিকিটেই ট্রেনে উঠতে হয়েছে। দুপুরের দিকে বিকল্প ব্যবস্হায় একটি কম্পিউটার দিয়ে টিকিট বিক্রি শুরু হয়। বিকল্প ব্যবস্থায় টিকিট বিক্রি শুরু হলেও সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টা পর্যন্ত তা ছিল খুবই ধীরগতি সম্পন্ন । ফলে ভৈরব ষ্টেশন থেকে বিভিন্ন স্থানে ট্রেনে চলাচলকারি যাত্রী সাধারণকে তাদের গন্তব্যে পৌছতে অনেক বিড়ম্বনায় পড়তে হয়েছে।

জানা গেছে, বাংলাদেশ রেলওয়ের সকল রেল স্টেশনের টিকিট বিক্রির সকল প্রকার যন্ত্রপাতি, সারবার, কম্পিউটার তারা সাপ্লাই দিয়ে থাকে। বিনিময়ে তারা প্রতি টিকিটে ৫ টাকা করে পেয়ে থাকেন। ভৈরব রেলওয়ে স্টেশনে টিকিট বিক্রির জন্য একটি কম্পিউটার রুম রয়েছে। চট্রগ্রামের রেলওয়ে সারবার রুম থেকে পূর্বাঞ্চলীয় সকল রেল স্টেশনে সারবারের মাধ্যমে ঐ কম্পিউটার দিয়ে টিকিট বিক্রি করা হয়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক রেলওয়ে কর্মচারিরা বলেন, সিএনএস কোম্পানীর প্রতিনিধি জসীম উদ্দিনের গাফলতিতেই এই চুরির ঘটনাটি ঘটেছে ।

সিএনএস কোম্পানীর প্রতিনিধি মোঃ জসীম উদ্দিনের সাথে একাধিকবার মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তার সাথে যোগাযোগ করা যায়নি।

ভৈরব রেলওয়ে স্টেশনের প্রধান বুকিং সহকারী কিশোর চন্দ্র সাহা জানান, কম্পিউটার রুমসহ টিকিট বিক্রির সকল যন্ত্রপাতি দেখাশোনার দায়িত্ব সিএনএস কোম্পানীর লোকদের। বেসরকারী কোম্পানী সিএনএস কোম্পানীর সম্পদ কম্পিউটার ও সারবার রুম। তাদের প্রতিনিধি জসীম উদ্দিন এই কম্পিউটার দেখাশুনা করে। কিভাবে চুরি হয়েছে আমরা বলতে পারবনা। সন্ধ্যার পর থেকে টিকিট বিক্রিতে আর কোন সমস্যা হয়নি বলে তিনি জানান।

ভৈরব রেলওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ফেরদাউস আহম্মেদ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন এ ব্যাপারে আমরা এখনো লিখিত কোন অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।