ভৈরব থেকে স্বাস্থ্য বিধি মেনে ছেড়ে যাচ্ছে দুর পাল্লার বাস

জয়নাল আবেদীন রিটন, ভৈরব প্রতিনিধি। কিশোরগঞ্জের ভৈরব বাস স্ট্যান্ড থেকে সরকারের নির্দেশিত স্বাস্থ্য বিধি মেনে এবং বর্ধিত ভাড়ায় ছেড়ে গেছে দূরপাল্লার সরাসরি ও লোকাল বাস গুলো।

বাসে উঠার সময় যাত্রিদের কে স্যানিটাইজার ও মাক্স ব্যবহার করতে বাধ্য করা হয়েছে। মাক্স বিহিন যাত্রী কে বাস থেকে নামিয়ে দিতে দেখা যায়। প্রতি দুই সিটে একজন করে যাত্রী পরিবহন করা হচ্ছে এর মধ্য দিয়ে ভৈরব ব্যস স্ট্যান্ড ৬৮ দিন পর ফিরে পেয়েছে তার চির চেনা রূপ ফিরে পেয়ে দুর্জয় মোড়ে যানজট।

বাস চালক হেলপার কাউন্টারম্যানদের মাঝে সচেতনতা দেখা গেলে ও যাত্রীদের মাঝে ছিল ঘা ছাড়া ভাব। অনেক যাত্রী কে মুখে মাক্স পরিধান না করেই চলতে দেখা গেছে। ছিলনা শাররিক দূরত্ব বজায় রাখার বালাই। লকডাউনের ৬৬ দিন পর সরকার গণপরিবহন চলাচলে বিধি নিষেধ শিথিল করায় ঢাকা সিলেট ও ভৈরব থেকে কিশোরগঞ্জ ময়মনসিংহ মহাসড়কে যানবাহন চলাচল শুরু করায় সড়রকে মানুষের চাপ বেড়ে গেছে।

সকাল হওয়ার সাথে সাথেই ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ভৈরব দুর্যয় মোড় থেকে সড়কে বাস ট্রাক, মাইক্রোবাস, সিএনজি, অটোরিকশা, রিকশা, প্রাইভেট কার, পিকআপসহ সব ধরনের যানবাহন বিভিন্ন গন্তব্যের উদ্দ্যেশে চলতে শুরু করেছে । সরকারের নির্দেশনা মেনে গণপরিবহনে যাত্রী উঠানো এবং বাসস্ট্যান্ড এলাকায় স্ব্যস্থ্য বিধি যথাযথ পালন হচ্ছে কিনা এ সব তদারকি করতে বাস মালিক সমিতি ও সরকারের কোন কর্মকর্তা কে ওই এলাকায় দেখা যায়নী।

একজন চালক ও বাস মালিক বলেন, আমরা সরকারের ঘোষিত সব রকমের স্বাস্থ্য বিধি মেনে গাড়ি চালাচ্ছি। কোন যাত্রীর দ্বারা স্বাস্থ্য ঝুকিতে পড়ে এমন সব যাত্রীদের আমরা গাড়িতে নিচ্ছিনা। সার্জেন্ট এনামুল হক বলেন, সরকারের নির্দেশনা যাতে অমান্য না হয় এবং যাত্রীরা যেন স্বাস্থ্যবিধি মেনে গাড়িতে ভ্রমন করে সে দিকে আমরা লক্ষ্য রাখছি। কেউ যদি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে যাত্রী পরিবহন করেন তাহলে তাদের বেলায়ও আমরা আইনগত ব্যবস্থা নিচ্ছি।