ভৈরবে শ্রাদ্ধের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ চেয়ারম্যান প্রার্থীর বিরুদ্ধে

জয়নাল আবেদীন রিটন, ভৈরব প্রতিনিধি: ভৈরবের আগানগর ইউনিয়নের একজন চেয়ারম্যান প্রার্থীর বিরুদ্ধে এক গরিব হিন্দু পরিবারের জন্য আদায় করা ৩৫ হাজার টাকা থেকে ২০ হাজার টাকা আত্বসাতের অভিযোগ উঠেছে চেয়ারম্যান প্রার্থী হুমায়ুন কবিরের বিরুদ্ধে। জানাযায় আগানগর ইউনিয়নের ছাতিয়ানতলা গ্রামের মনতাবর্মন(১৮) নামের এক গরিব জেলের পাঁয়ের একটি অংশ সামান্য কেটে যায়।

পরে সে এলাকার গোকুলনগর বাজারে একটিমুজিবুর মিয়ার ফার্মেসিতে গিয়ে প্রামিক চিকিৎসা নেয়। এর প্রায় ১৫ দিন পর গত ২৫ শে জুন সে খিচুনী রোগে আক্রান্ত হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। এটিকে পুঁজি কার হুমায়ুন কবির ও তার আরো দুই সঙ্গী মনতা বর্মনের শ্রাদ্ধের কথা বলে জোড় পূর্বক ফার্মেসি মালিকের নিকট থেকে ৩৫ হাজার টাকা আদায় করে। পরে আদায় করা টাকা থেকে হুমায়ুন কবির ২০ হাজার এবং তার এক সঙ্গী ১ হাজার টাকা রেখে মনতা বর্মনের পরিবারের কাছে ১৪ হাজার টাকা পৌছানো হয়। এ নিয়ে এলাকায় কানাঘুষা শুরু হয়েছে।

চেয়ারম্যান প্রার্থীর বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুলতে সাহস না পেলে ও থেমে নেই কানা ঘুসা। মনতা বর্মনের পিতা ইন্দ্রনীল বর্মন বলেন আমি ১৪ হাজার টাকা পেয়েছি কে কি করেছে সেটা আমি বলতে পারবো না। ফার্মেসি মালিক মুজিবুর রহমান বলেন ছেলেটি পাঁ কাটা নিয়ে আমার কাছে আসে আমি তাকে যথাযথ ভাবে ড্রেসিং করে দেই। আমার এখানে কোন টিটেনাস ইনজেকশন না থাকায় অন্য কোথাও থেকে ইনজেকশন করে নিতে বলি। এর ১৫ দিন পর ঢাকায় গিয়ে সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সে মারা যায়।

এঘটনাকে কেন্দ্র করে চেয়ারম্যান প্রার্থী হুমায়ুন কবির আরো কয়েক জন মনতা বর্মনের শ্রাদ্ধের জন্য আমার নিকট ৫০ হাজার টাকা দাবী করে পরে আমি তাদের কে ৩৫ হাজার টাকা প্রদান করি। এ ব্যাপারে হুমায়ুন কবির চেয়ারম্যান প্রাথী টাকা আত্বসাতের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন আমার বিরুদ্ধে একটি অপপ্রচার মাত্র কত টাকা সে আদায় করেছে এ ব্যাপারে তিনি কিছু বলতে চান না।