ভৈরবে মানুষের চলাচলে বৃদ্ধি পেতে পারে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা 

জয়নাল আবেদীন রিটন, ভৈরব প্রতিনিধি: করোনার বিস্তার রোধে কিশোরগঞ্জের ভৈরব থেকে পার্শ¦বর্তী জেলা উপজেলায় লোকজন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হলেও তা মানছেননা সাধারণ মানুষ। ফলে বৃদ্ধি পেতে পারে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ব্রহ্মপুত্র সেতুর উপর দিয়ে কারণে অকারণে অবাধে চলাচল করছেন পার্শবর্তী জেলা নরসিংদী সদরসহ উপজেলা রায়পুরার মানুষ। এসকল মানুষদের চলাচল ঠেকাতে রীতিমত হিমশিম খাচ্ছে দায়িত্বরত পুলিশ। তারা সকাল থেকে বিভিন্ন কাজের অজুহাতে মহাসড়ক দিয়ে ভৈরবে আসছে। কেহ রিক্সা , সিএনজি নিয়ে ভৈরব থেকে পণ্য কিনে নিয়ে যাচ্ছে। আবার অনেকেই যেন ঘুরতে বেরুচ্ছে। বিনা কারণে তারা পায়ে হেটে ব্রীজ দিয়ে পাড় হচ্ছে। পুলিশ অনেককেই ফিরিয়ে দিতে পেরেছে আবার অনেকেই পুলিশের সাথে বাকবিতন্ডায় জড়িয়ে পড়ছে। ব্রহ্মপুত্র ব্রীজের ভৈরব প্রান্তে এমন দৃশ্য দেখা যায়। দেশে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ায় পার্শ্ববর্তী জেলা নরসিংদী সহ উপজেলা রায়পুরা, কিশোরগঞ্জ জেলা সদর ও ভৈরবসহ কয়েকটি উপজেলায় করোনা রোগী সনাক্ত হওয়ায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এসকল অঞ্চলের নিজ এলাকা ছাড়া অন্য এলাকায় চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। এরপরও প্রশাসনের জারিকৃত নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে অবাদে চলছে মানুষ। এতে করে করোনার ঝুকিতো কমছেইনা বরং প্রশাসনের শিথীলতার কারণেই করোনার ঝুকি বেড়ে যাবে। জরুরী পণ্যবাহী যানবাহন ছাড়া অন্য যানবাহন চলতে দিচ্ছেনা পুলিশ। যদিও মাঝে মধ্যে কোন মাইক্রো বা প্রাইভেটকার চলছে তাতে দুজনের অধিক লোককে ভ্রমন করতে দেয়া হচ্ছেনা। হোন্ডাতে শুধু মাত্র চলক নিজে চলতে পারবেন শুধু মাত্র নিজ এলাকাতে তবে অন্য জেলা উপজেলায় ক্ষেত্রে নিষেধ রয়েছে। মহাসড়কের ভৈরব প্রান্তে দাডিয়ত্বরত পুলিশ জানায়, করোনার বিস্তার রোধে বিশেষ করে পাশ্ববর্তী জেলা নরসিংদী , ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও কিশোরগঞ্জের লোকজন যাতে করে ভৈরবে ঢুকতে না পারে এবং ভৈরব থেকে যাতে ঐ সমস্ত এলাকায় যেতে না পারে সেজন্য মহাসড়কের সেতুর প্রান্তে ডিউটি করছি। অর্থের বিনিময়ে যাতে যাত্রী বহন করতে না পারে সেদিকেও লক্ষ্য রাখা হচ্ছে। জ্বলানী, কৃষিসহ শুধু মাত্র জরুরী পণ্যবাহী গাড়িগুলো চলাচলে নিষেধাজ্ঞার বাইরে রয়েছে। তবে মুমুর্ষ রোগীদের বেলায় বিবেচনা সাপেক্ষে নিষেধাজ্ঞা কিছুটা শিথীল রয়েছে।