ভৈরবে ঈদ বাজারেও স্ব-উদ্যোগে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখলেন সাংবাদিক আদিল সর্ব মহলে প্রশংসিত

জয়নাল আবেদীন রিটন, ভৈরব প্রতিনিধিঃ মানুষ যখন করোনার সংক্রমনে আক্রান্ত হওয়ার ঝুকি রয়েছে জেনেও স্বাস্থ্যনীতি না মেনে ঈদের বাজারে উপচে পড়ছে ঈদের কেনাকাটায় তখন করোনা সংক্রমনের ঝুঁকি এড়াতে ঈদ বাজারেও ভৈরবে স্ব-উদ্যোগে নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখেছেন সাংবাদিক আদিল উদ্দিন আহমেদ আদিল। তিনি বৈশাখী টেলিভিশন ও দৈনিক কালের কন্ঠের ভৈরব প্রতিনিধি।

ভৈরব বাজারের ঐতিহ্যবাহি পৌর-নিউ মাকের্টে ২য় তলায় অবস্থিত ক্ষুদ্র ব্যবসা প্রতিষ্টান বৈশাখী শাড়িঘরের স্বত্ত্বাধিকারী তিনি।

সরকারের ঘোষনা অনুযায়ী ১০মে থেকে মার্কেট, শপিং মল স্বল্পপরিসরে খোলা হলেও করোনা ভাইরাসের মোকাবিলায় স্বাস্থ্য নীতিকে গুরুত্ব দিয়ে তিনি তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেন। মহামারী করোনার সময়ে তিনি এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ায় ইতিমধ্যে উপজেলা জুড়ে সর্ব-মহলে প্রশংসিত হয়েছেন। মহা দুযোর্গের সময়ে তার এমন ব্যক্তিগত উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে সর্বস্তরের মানুষ।

করোনা ভাইরাসের আক্রান্তের তালিকায় সারাদেশের উপজেলার মধ্যে ভৈরব শীর্ষে আছে । গত রবিবার সর্বশেষ রিপোর্ট অনুযায়ী ভৈরব থেকে ৭৪৮ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে , তার মধ্যে ফলাফল এসেছে ৭০৬ জনের। এর মধ্যে ভৈরবে আক্রান্তের সংখ্যা ৭৭ জন । সুস্থ হয়েছেন ৪৭জন, সরকারি তালিকায় মৃত্যু ১ জন। করোনা উপসর্গে মারা গেছেন ২ জন । এছাড়া গত ১৮,১৯,২০,২১ ও ২২ মে সংগ্রহকৃত পাচঁ দিনের নমুনার রিপোর্ট এখনো আসেনি।

সাংবাদিক আদিল উদ্দিন আহমেদ আদিল বলেন, বেচে থাকলে ব্যবসা-বাণিজ্য করতে পারবো। তাই প্রাণঘাতি করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের হাত থেকে নিজেকে এবং পরিবারকে রক্ষা করতে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখে বাসায় অবস্থান করছি। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বাসা থেকে বের হই না। করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে সরকারি নির্দেশনা মেনে চলা অত্যন্ত জরুরি। তাই সবাইকে ঘরে থাকার আহবান জানিয়েছেন তিনি।

ব্যবসা প্রতিষ্ঠান না খুলে পরিবারের সাথে বাসায় অবস্থান করাকে সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত বলে মনে করছেন ভৈরব উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা লুবনা ফারজানা। তিনি বলেন, নিজের নিরাপত্তাটি নিজেকেই নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি করোনা পরিস্থিতিতে পরিবারের স্বাস্থ্য সুরক্ষার বেপারেও সচেতন থাকতে হবে।