ভৈরবে আমন ধান আবাদে ব্যাস্ত কৃষকরা

 জয়নাল আবেদীন রিটন, ভৈরব প্রতিনিধি: কিশোরগঞ্জের ভৈরবে আউশ ধান কাটা প্রায় শেষ পর্যায়ে। আউশ ধান কাটা শেষ হতেই আমন ধানের চারা রোপনে এখন ব্যস্ত সময় পার করছে এ অঞ্চলের কৃষকরা। রোদ বৃষ্টি উপেক্ষা করে এখন বীজতলা থেকে চারা তোলা, জমি চাষ ও মই দেয়াসহ আমন ধান চাষের নানা কাজে দারুণ ব্যস্ত তারা। চাষীরা আশা করছেন আবহাওয়া অনুকুলে থাকলে এবারও আমন ধানের বাম্পার ফলন হবে। ভাদ্র মাসের কড়া রোদ আর বৃষ্টি উপেক্ষা করে কৃষকরা মাঠে ব্যাস্ত সময় পার করছেন আমন ধানের চারা রোপনের কাজে। উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে ধানি জমিতে কৃষকদের ব্যাস্তুার যেন শেষ নেই।
কেউ জমি প্রস্তুত করছেন, আবার কেউ জমিতে হাল চাষ করছেন। যে সকল জমিতে চারা গাছগুলো গজিয়েছে সেসব জমিতে সার দিচ্ছেন । আউশ ধান কেটেই আবার আমন ধান রোপন করতে জমি তৈরি করছেন। পানি সেচ, নিড়ানী, কিটনাশকসহ নানা ওষুধ, ধান কাটা, মাড়াই, শ্রমিক, সার, জমি চাষ ও বীজ বাবদ প্রতি বিঘায় খরছ পড়ে ৭ থেকে ৮ হাজার টাকা। আর প্রতি বিঘায় ২০ থেকে ২২ মন ধরে ফলন পাওয়া যায়। প্রতি মন ধান বিক্রয় করা যায় ৭শ থেকে ৮শ টাকা দরে। মুলত আমন ধান একটা লাভ জনক ফসল। তাই কৃষকরা আমন ধান চাষে আগ্রহ বেশি। কৃষি অফিসের সার্বিক সহযোগিতা ও পরামর্শে গত বছর ২২৫০ হেক্টর জমিতে আউশ আমনের লক্ষ্যমাত্র অর্জিন হয়েছিল। কৃষকদের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে এবারও আমনের বাম্পার ফলন পাবে এমটাই আশা করছেন অত্র অঞ্চলের কৃষকরা। চাষীরা জানান, আমন ধান একটা লাভ জনক ফসল।
আমনের ক্ষয়ক্ষতি অন্যান্য ধানের তুলনায় অনেকটা কম। আমরা গত বছর আমন ধান চাষ করে অনেকটাই লাভবান হয়েছি। এবার এই মৌশুমে প্রথমে আউশ ধান আবাদ করেছি। আউশ ধান কাটা শেষ হতেই একই জমিতে আবার আমন ধান রোপন করছি। আশা করছি এবারও আমনের বাম্পার ফলন পাব। ধানের দরও ভাল আছে। তাই আউশ, ধান কাটার পর পরই আমন ধান চাষ করছি। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলম শরীফ খান বলেন, আউশ ধান কর্তন প্রায় শেষের দিকে। পাশাপাশি ভৈরব উপজেলঅর কৃষকদের মাঝে আমন আবাদে আগ্রহ ব্যাপক হয়েছে।
১১৮ হেক্টর বীজতলা হয়েছে। জমি থেকে পানি নেমে যাওয়ায়র পর পরই তারা আমনের চারা রোপন করছে। গত বছর ২২৫০ হেক্টর জমিতে আমন আবাদ হয়েছিল। আশা করছি এবছর ২২৫০ হেক্টরের চেয়েও বেশি আবাদ হবে। কৃষকরা যাতে সাচ্ছন্দে আমনে ফলন ঘরে তুৃলতে পারে সে জন্য কৃৃষি অফিসের লোকজন কৃষকদের পাশে থেকে সার্বক্ষনিক যোগাযোগ ও পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছে। আবহাওয়া যদি অনুকুলে থাকে আশা করছি কৃষকরা এবার আমনে বাম্পাার ফলন পাবে।