ভারী বর্ষণ ও বন্যায় বাড়ী ধষ, অহেতুক দোষারোপ প্রতিপক্ষকে

রফিকুল ইসলাম, রাজিবপুর (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি :কয়েকদিন ভারী বর্ষণ, উজানের পাহাড়ী ঢলে বন্যার পানি বৃদ্ধি এবং বাড়ীটির ভিটা বালুমাটির হওয়ায় একটি বাড়ীর ধষ নেমে প্রায় ৩ লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে অনেকের ধারণা। কুড়িগ্রামের রাজিবপুরের মাঠপাড়া নামক স্থানে ৪জুন একটি বাড়ী ধষে পানিতে নিমজ্জিত হওয়ায় ড্রেজার মেসিন মালিককে ফাঁসানোর পায়তারা করছে কতিপয় কিছু লোক। অভিযোগ দিয়েছে বিভিন্ন দপ্তরে।

“মাঠপাড়া থেকে নয়াপাড়া পর্যন্ত রাস্তাটি আবদ্ধ জলাশয়ের মাঝ বরাবর বালুমাটি দিয়ে তৈরি। বন্যার পানি বাড়ার সাথে সাথে রাস্তাটিও ধষে যায় প্রত্যেক বছর। ওই রাস্তার স্লোভে পানির কিনারে বালুমাটি দিয়ে তৈরি বাড়ীটিরও অবস্থান। বাড়ীর কাছেই সামান্য দূরত্বে রয়েছে একটি ব্রীজ, যেখানে পানি বাড়ার সাথে সাথে স্রত বইতে থাকে। এর ফলে বাড়ীটির ধষ নেমেছে। ড্রেজার মেসিন দিয়ে ওই বাড়ীর আশে-পাশে কোন মাটি কাটা হয় নাই। এছাড়া আমাদের ফাঁসানোর জন্য কয়েকজন লোক ওই বাড়ীর মালিককে উসকানি দিয়ে আমাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলছে” এমনটাই জানিয়েছেন ড্রেজার মেসিন মালিক নুরুল আমিন।

বাড়ীওয়ালা বিধবা মনোয়ারা বেগমের নিকট থেকে জানা গেছে, বাড়ীর সবাই ঘুমিয়ে ছিল, ভোর রাতে হঠাৎ বাড়ীটি ধষে পানিতে ডুবে যায়।” তিনি বলেন, “আমাগোরে আর কোন জমি জমা নাই। যাবার কোন জায়গা নাই। সরকারের কাছে দাবী আমাগোরে একটা ব্যবস্তা করুক।”

স্থানীয় বেলাল হোসেনসহ কয়েকজনে জানিয়েছেন, পানি বাড়লেই রাস্তাটটি ধষে যায়। এখন বাড়ী ভেঙ্গে গেছে, তাদের কপালের দোষ। নুরুল আমিনকে দোষারোপ করা ঠিক হবে না।”

এ বিষয়ে রাজিবপুর উপজেলা নিরবাহী কর্মকর্তা নবীরুল ইসলাম জানান, “বাড়ীটি পরিদর্শন করেছি, তদন্ত করে সুরাহা করা হবে।” উপজেলা চেয়ারম্যান আকবর হোসেন হিরো বাড়ীটি পরিদর্শন করে, বাড়ীর মালিক মনোয়ারা বেগমকে ব্যক্তিগতভাবে নগদ ২ হাজার টাকা প্রদান করেন।