ভারত-বাংলাদেশের বন্ধুত্ব সম্পর্ক যুদ্ধকালীন সময়ের-ভারতীয় হাই কমিশনার

কাজী জোবায়ের আহমেদ, দোহার (ঢাকা) প্রতিনিধি: ভারত-বাংলাদেশের বন্ধুত্ব সম্পর্ক যুদ্ধকালীন সময়ের ইতিহাস থেকে এখনো অটুট রয়েছে আগামীতেও থাকবে, বলেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাই কমিশনার শ্রীমতি রীভা গাঙ্গুলী দাশ।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঢাকার দোহারের মধুরচর এলাকায় গান্ধীজি অভয়াশ্রম পরির্দশনে এসে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় বাঙ্গালী জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও গান্ধীজির ইতিহাস ধরে রাখতে দোহারে একটি ইনস্টিটিউট করতে সহযোগীতার কাথা জানান তিনি। পরিদর্শন শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল তার বক্তব্যে বলেন,

ভারত যুদ্ধকালীন সময়ের বন্ধু তাই বাংলাদেশের সাথে সম্পর্ক অটুট রয়েছে, আগামীতে এই সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে। এসময় ঢাকা-১ আসনের সংসদ সদস্য প্রধানমন্ত্রীর শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানের পক্ষে তার প্রতিনিধি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো.আলমগীর হোসেন দোহারে গান্ধীজি ও বঙ্গবন্ধু প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় নির্মাণের প্রস্তাব দেন।

অনুষ্ঠান শেষে গান্ধিজী অভয়াশ্রমে প্রঙ্গণে গাছের চারা রোপণ করেন ভারতীয় হাই কমিশনার ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এসময় উপস্থিত ছিলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রনালয়ের জন নিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মোস্তফা কামাল উদ্দিন, বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিচালক ড. বেনজির আহমেদ, ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি হাবিবুর রহমান, ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার মারুফ হোসেন সরদার,

ঢাকা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান, বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহ, দোহার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো.আলমগীর হোসেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কেএফএম ফিরোজ মাহমুদ,সহকারী কমিশনার (ভুমি) জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র,ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি ফজলুল হক,

দোহার উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নজরুল ইসলাম বাবুল,সাধারন সম্পাদক আলী আহসান খোকন শিকদার কেন্দ্রীয় মাহিলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আনার কলি পুতুল, দোহার থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোস্তফা কামাল,নবাবগঞ্জ থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ শিরাজুল ইসলাম,নারিশা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সালাউদ্দিন দরানী, গান্ধিজী অভয়াশ্রম পরিচালনা কমিটির সভাপতি ওমর ফারুক,সাধারন সম্পাদক আফতাব লালন সহ আরও অনেকে।

গান্ধিজী আশ্রমে ভারতীয় হাই কমিশনার ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে তিন দিন আগে থেকেই জোরদার করা হয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা। বর্ণিল সাজে সাজানো হয় অশ্রমের চারপাশ। এছাড়া তাদের আগমনে যাতায়াত ব্যবস্থা সহজ করতে মালিকান্দা শ্বশ্নাণঘাট ও আশ্রমের মাঝে কাঠের সেতু নির্মাণ করেন নারিশা ইউপি চেয়ারম্যান সালাউদ্দিন দরানী। উল্লেখ্য,

১৯৩৭ সালে ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন বেগবান করতে তৎকালিন অভিভক্ত বাংলার তিন বারের মুখ্য মন্ত্রী ডা: প্রফুল্য­চন্দ্র মোহন ঘোষের আমন্ত্রনে দোহারের মধুরচর ও মালিকান্দা এলাকায় আগমন ঘটে মহত্মা গান্ধীর। এসময় মধুরচর এলাকায় ৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল ও অভয়াশ্রম নির্মান করেন মহত্মা গান্ধী। তার প্রতি সম্মান জানাতে গান্ধিজী অভয়াশ্রম পরিদর্শনে আসেন ভারতীয় হাই কমিশনার।