ভাগাভাগি করে মাঠ নিয়ে পোষাচ্ছে না বাংলাদেশ আর্চারি ফেডারেশনের

বাফুফের সঙ্গে ভাগাভাগি করে মাঠ নিয়ে পোষাচ্ছে না বাংলাদেশ আর্চারি ফেডারেশনের। অনুশীলনে বিঘ্ন ঘটছে রোমান সানাদের। পূর্বাচলে ১০ একর জায়গা চেয়ে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় বরাবর চিঠি দেবে আর্চারি ফেডারেশন। যত দ্রুত সম্ভব আর্চারির জন্য আলাদা একটি মাঠে স্থানান্তরিত হতে চায় আর্চারির কর্তারা।

এক মাঠ নিয়ে কাড়াকাড়ি দুই ফেডারেশনের মধ্যে। পরিস্থিতি অনুকূলে আনতে এক টেবিলে বসে দুই ফেডারেশন।

সমঝোতা হয় অনেকটা চাপে পড়ে উপায় না থাকায় নিজেদের প্রাণের মাঠটাতে বিপিএল ফুটবল খেলার মৌন সম্মতি দেয় বাংলাদেশ আর্চারি ফেডারেশন। ‘

টঙ্গীর শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার স্টেডিয়ামে ফুটবল খেললে কোনো সমস্যা হবে না’- বাফুফের এমন নিশ্চয়তা অবশ্য টিকল না বেশি দিন।

ফুটবলের কারণে বিঘ্ন ঘটছে রোমান সানাদের টোকিও অলিম্পিক যাত্রার অনুশীলন।

দেশের ক্রীড়াঙ্গনের অন্যতম সম্ভাবনাময় খেলাটি অঙ্কুরে বিনষ্ট হতে দিতে চায় না আর্চারির কর্তাব্যক্তিরা।

ভাগাভাগি করে খেলা আর নয়, পরিস্থিতি বিবেচনা করে আলাদা মাঠে চান তারা। দ্রুতই ক্যাম্প সরিয়ে নিতে চান অন্য কোথাও।

সে জন্য দুটি জায়গাও পছন্দ করে রেখেছে ফেডারেশন। সরকারকে চিঠি দেয়ার বিষয়টিও চূড়ান্ত।

আর্চারি ফেডারেশনের প্রেসিডেন্ট লে. জে. (অব.) মোহাম্মদ মঈনুল ইসলাম বলেন, আর্চারি এমন একটা খেলা যেটা নিয়মিত অনুশীলন না করলে হবে না।

আমাদের নিজেদের মাঠ দরকার। ফুটবলের সঙ্গে ভাগ করা সম্ভব না। সে জন্য আমরা শিগগির চিঠি দেব।’

আর্চারিকে সাফল্যের চূড়ায় ওঠানোর নেপথ্য কারিগর সিটি গ্রুপ। সময়মতো প্রয়োজনীয় অর্থ জোগান দিয়ে আর্চারদের প্রত্যাশা মিটিয়েছে সবসময়ই। ‘

তীর গো ফর গোল্ড’ মিশনে আর্চারিকে সবার মাঝে জনপ্রিয় করেছে। উঠে এসেছে তৃণমূল থেকে অনেক খেলোয়াড়। এত দিনের যত্নে গড়া ঘরে চিড় ধরুক চান না তারাও।

সিটি গ্রুপের মার্কেটিং অ্যান্ড সেলস এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর জাফর উদ্দিন সিদ্দিকী বলেন, ‘আর্চারি জনপ্রিয় খেলা হয়ে উঠছে।

তাই নিজেদের মাঠ দরকার। এ ব্যাপারে ফেডারেশনের পক্ষ থেকে চেষ্টা করা হচ্ছে। সেটা সফল হবে আশা রাখি।’

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় আর্চারির চিঠির জবাবে কী উত্তর দেয় সেদিকেই এখন সবার চোখ।