ভাইরাস সংক্রমণের মধ্যে চট্টগ্রামে পুলিশ সদস্যদের তোলা হচ্ছে হোটেলে

মোঃ রাশেদ, চট্টগ্রাম প্রতিনিধিঃ চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের (সিএমপি) এ উদ্যোগের ধারাবাহিকতায় সোমবার দামপাড়া পুলিশ লাইন্স থেকে ট্রাফিক বিভাগের ৩৩ সদস্যকে নগরীর চকবাজারের ফ্রেশ ইন হোটেলে স্থানান্তর করা হয়েছে বলে অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (মিডিয়া) আবু বক্কর সিদ্দিক জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, “করোনাভাইরাস সংকটের মধ্যে পুলিশ লাইন্সে স্থান সংকুলান না হওয়ায় এবং সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতসহ স্বাস্থ্যবিধি মানতে পুলিশ সদস্যদের স্থানান্তর করা হচ্ছে অন্যত্র। এটা ব্যারাক হালকা করার একটা প্রক্রিয়া।”

সোমবার স্থানান্তর করা ৩৩ পুলিশ সদস্যই সিএমপির ট্রাফিক বিভাগের। এ পর্যন্ত চট্টগ্রামে সাতজন পুলিশ সদস্য করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন, তাদের ছয়জনই ট্রাফিক পুলিশ সদস্য এবং সবাই একই ব্যারাকে থাকতেন।

সিএমপি থেকে প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে, এর আগে এ প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে নগরীর জিইসি কনভেনশন সেন্টারে ব্যারাকের মেকানিক্যাল অ্যান্ড ট্রান্সপোর্ট বিভাগের ৭৫ পুলিশ সদস্যকে সরিয়ে নেওয়া হয়।

এছাড়া জিইসি মোড় সংলগ্ন কে স্কয়ার কনভেনশন সেন্টারেও কিছু পুলিশ সদস্যকে ইতোমধ্যে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

চট্টগ্রামে কভিড-১৯ আক্রান্ত তিন পুলিশ থাকতেন ‘এক রুমে’

সিএমপির বিশেষ শাখার উপ-কমিশনার আবদুল ওয়ারিশ বলেন, “আমরা ধীরে ধীরে দামপাড়া পুলিশ লাইন্স ব্যারাকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে বসবাস নিশ্চিত করতে চাচ্ছি। এ লক্ষ্যে আরও কিছু হোটেলের সাথে কথা চলছে।” অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (সদর) ময়নুল ইসলাম জানান, ইতোমধ্যে সিএমপি স্কুলের ৩৩টি কক্ষ কোয়ারেন্টিনের জন্য তৈরি রাখা হয়েছে।

এছাড়া করোনাভাইরাস মোকাবেলায় দামপাড়া বিভাগীয় পুলিশ হাসপাতালে ২০টি আইসোলেশন শয্যার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আর ১৬ শয্যার ফ্লু কর্নারও চালু রয়েছে। এর বাইরে সিএমপির স্ব স্ব ক্রাইম বিভাগকে তাদের কোনো পুলিশ সদস্যকে কোয়ারেন্টিনে রাখা দরকার হলে নিজ উদ্যোগে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বলা হয়েছে।