ব্যাপক কর্মী সমাগমের মধ্যে দিয়ে আহম্মদাবাদ ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সম্মেলন সম্পন্ন

এম এস জিলানী আখনজী,  চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি: উৎসবমূখর পরিবেশে ব্যাপক কর্মী সমাগমের মধ্যে দিয়ে সম্পন্ন করা হয়েছে হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার ২নং আহম্মদাবাদ ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সম্মেলন।

শনিবার (১৯ ডিসেম্বর) বিকেলে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন শুকদেবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত সম্মেলনের উদ্বোধন করেন উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মোঃ মানিক সরকার। ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহবায় মোঃ আরিফুল ইসলাম হৃদয়ের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব মোঃ শাহিন আলমের পরিচালনায় সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি সুব্রত পুরকায়স্থ।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন হবিগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি সৈয়দ মোঃ কামরুল ইসলাম, সহ-সভাপতি অমল কুমার দাশ পলাশ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সুজন চৌধুরী, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ আবু তাহের, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক ও আহম্মদাবাদ ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবেদ হাসানাত চৌধরী সনজু, উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক কে এম আনোয়ার হোসেন, উপজেলা কৃষক লীগের সভাপতি মোঃ মুজিবুর রহমান মুজিব, আহম্মদাবাদ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি অধ্যক্ষ মোঃ আলাউদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ মোঃ আবু নাসের,

উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান রিপন, উপজেলা তাঁতী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ মিজানুর রহমান বাবুল, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ মিজানুর রহমান মিজান, উপজেলা সেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি মোঃ দুলাল ভূইয়া, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লা আল মামুন প্রমূখ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুল লতিফ, উপজেলা আওয়ামীলীগের তথ্য ও গবেষনা বিষয়ক সম্পাদক মোঃ হাছন আলী ও উপজেলা তাঁতী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও অবসরপ্রাপ্ত সার্জেন্ট মোহাম্মদ ফজল মিয়া সহ উপজেলা ও ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ, যুবলীগ,

কৃষকলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, তাঁতীলীগ, ছাত্রলীগ। এবং আহম্মদাবাদ ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের বিভিন্ন ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতৃবৃন্দদের অংশগ্রহণের মধ্যে দিয়ে ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সম্মেলন সম্পন্ন হয়। । আয়োজিত অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত বক্তারা বলেছেন- বর্তমান বাংলাদেশ সরকার দেশ পরিচালনায় বিশ্বের কাছে এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। দেশ আজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। এখন শহরের সাথে তাল মিলিয়ে গ্রাম-গঞ্জেও উন্নয়নের ছোঁয়া লাগছে।

উন্নয়নের এ ধারা অব্যাহত রাখতে প্রত্যেককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠনকে আরো গতিশীল করতে হবে। ২০২১ সালের মধ্যে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে স্বেচ্ছাসেবকলীগ কর্মীদের নিরলসভাবে কাজ করার বিকল্প নেই। বক্তারা আরো বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালি জাতির সুখ-শান্তির জন্য স্বাধীনতার সংগ্রাম করেছেন।

সেই সময়ে পাকিস্তানের দু:শাসনের মধ্যে জাতির পিতা ১৩ বছর কারাগারে ছিলেন। তার এই ত্যাগের বিনিময়ে ১৯৭১ সালে আমরা স্বাধীনতা অর্জন করেছি। পাক হানাদার বাহিনীর সঙ্গে লড়াই করে পরাজিত করে বাংলার মুক্তিযোদ্ধারা বিজয় এনেছিলেন। সেই দিনটিকে, সেই মাসটিকে আমরা এখনও স্মরণ করি। বাংলার মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য জাতির জনককে আজও আমরা শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি। সেই সঙ্গে স্মরণ করছি বীর সেনানীদের, যারা নিজেদের জীবন আত্মাহুতি দিয়ে বাংলাদেশের বিজয়কে ত্বরান্বিত করেছেন।

সেই সঙ্গে সব বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তারা বলেন, তারা তাদের স্বজনদের ফেলে ছুটে গিয়েছিলেন দেশ স্বাধীকার আন্দোলনে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালি জাতিকে একটি স্বাধীন দেশ উপহার দিয়েছিলেন। এখন তার কন্যা বাংলাদেশের সফল প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে।

উন্নয়নের এই অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে স্বাধীনতা বিরোধীদের ষড়যন্ত্রের ব্যাপারে সবাইকে সজাগ থাকারও আহ্বান জানান তারা। এ সময় মোঃ শাহিন আলমকে সভাপতি, ইউপি সদস্য চন্দ্র তাঁতীকে সাধারন সম্পাদক, কাওছার দেওয়ানকে যুগ্ম সাধারন সম্পাদক, দুলাল আহমেদ ও আশিকুর রহমান রাব্বিকে সাংগঠনিক সম্পাদক করে কমিটি ঘোষণা করা হয়।