ব্যবসায়িক প্রতিদ্বন্ধিরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে অশ্লীল অপপ্রচার, প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন

মোঃ নাজমুল ইসলাম নয়ন, দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধি নয়ন: ফেসবুক আইডিতে এক পাশে রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি অন্য পাশে সাবেক পুলিশ সুপার এর ছবি প্রকাশ করে দিনাজপুর জেলার আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর গুলোতে নিজের মত প্রবাহিত করে চলেছেন গোলাপ নামের একজন ব্যক্তি এমন অভিযোগ এনে সাংবাদিক সম্মেলন করেছেন দিনাজপুরে “কালার এলিগেল“নামীয় বিউটি পার্লারের প্রোপাইটার দিনাজপুর সদর উপজেলার লালবাগ বড় মসজিদ রোড এলাকার বাসিন্দা শাহ আলম জীবনের স্ত্রী সিলভি আহমেদ।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, গত ২৪ জুলাই আমার প্রতিষ্ঠানের মডেল ফাল্গুনি ইসলামকে সাজিয়ে ফটোগ্রাফার শাহরিয়ার আহম্মেদকে দিয়ে ছবি তুলে তা এডিট করে আমার ফেইসবুক ঝওখঠও গঙঙঘ পেইজে আপলড করি। পরে আমার অযন্তে আমার মডেলের ছবিসহ আজেবাজে অশ্লীল মন্তব্য লিখে ফেইসবুক পেজ“ গঙজঞঙতঅ গওঝঞণও তে আপলড করা হয়েছে।

যা আমার ব্যবসায়িক প্রতিদ্বন্ধি হ্যাভেন লিটান্স বিউটি পার্লারের মালিক সাদিয়া খান ঝঅউওঅ কঐঅঘ নামের ফেইসবুক আইটি থেকে এওজখ ঝ ঙঋ ঐঊঠঊঘ গ্রæপের এডমিন মারফত আপলোডকৃত ছবি ও আপত্তিকর মন্তব্য গুলো গ্রæপে এপ্রæফ করে আমাকে ও আমার মডেলকে সামাজিক ভাবে হেয় প্রতিপন্ন ও মান সন্মানহানীসহ আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুন্ন করেছে।

এব্যাপারে আমি ২২ জুলাই ২০২০ সামাজিক যোগাযোগা মাধ্যম ফেইসবুক লাইভ এসে প্রকৃত ঘটনা খুলে বলি এবং প্রতিবাদ জানাই। অথচ পুলিশকে এই ঘটনার অপব্যাখ্যা বুঝিয়ে ওরা আমাকে পুলিশের মাধ্যমে থানায় ডেকে নিয়ে ওসি‘র রুমে এসআই নুর আলম,হ্যাভেন লিটান্স বিউটি পার্লারের মালিক সাদিয়া খানের স্বামী বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে হাওয়া ভবনের পিয়ন গোলাপ হোসেন আমাকে চরম অপমান অপদস্ত করে এবং আবারো আমাকে লাইভে এসে ক্ষমা চাইতে বলে।

বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের হাওয়া ভবনের পিয়ন এই গোলাপ হোসেন তার এঙখঅচ ঐঙঝঝঅওঘ এঙখঅচ ফেইসবুক পেইজে রংপুরের বিভাগীয় পুলিশ কমিশনার,জেলা প্রশাসক মো: মাহমুদুল আলম, দিনাজপুরের সাবেক এসপি সৈয়দ আবু সায়েম‘র সাথে তার তোলা ছবি পোষ্ট করেছে। যে গুলি দেখিয়ে বিভিন্ন ভাবে আমাকে ও সাধারন মানুষকে নানান ভাবে হয়রানী করা হচ্ছে। তাদের কথামত আমি আবারো সামাজিক যোগাযোগ লাইভ এসে দু:খ প্রকাশ করে ক্ষমা চাই।

এরপরও তারা আমার নামে থানায় ২০১৮ সালের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মিথ্যা ও হয়রানীমুলক মামলা করেছে। মামলা করার পর থেকেই তারা এসআই নুর আলমের সাথে আতাত করে তারা অব্যাহত ভাবে আমার ও আমার আত্বীয়স্বজনের বাড়িতে পুলিশ অভিযান চালায়। পরবর্তীতে আদালতে হাজির হয়ে আমি জামিন নেই।

জামিনে আসার পরে আমি মর্তুজা মিষ্টি,শাহরিয়ার আহম্মেদ ও সাদিয়া খানের নামে মামলা করতে গেলে মামলা গ্রহনে টালবাহানা শুরু করে থানা পুলিশ, পরে এসপি‘র নির্দের্শে ওসি মামলা গ্রহন করতে বাধ্য হয় যার নং ০৯/৭১৯ তাং ০৪-১০-২০২০। পরে ষড়যন্ত্রমুলক ভাবে দায়িত্ব দেয়া হয় এসআই নুর আলমকে, সে মামলা তদন্তে গড়িমশি শুরু করেছে।

আমার করা মামলার আসামীরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ালেও পুলিশ অজ্ঞাত কারনে তাদের গ্রেফতার করছে না। তারা উল্টো আমার মামলার স্বাক্ষিদের বিভিন্ন ভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং হুমকি ধামকি দিচ্ছে। সংবাদ সম্মেলনে তিনি প্রশাসনসহ সকলের কাছে জুলুম হয়রানী থেকে রক্ষায় তাকে সহায়তা করার দাবী করেছেন।