বেলকুচিতে স্বামী স্ত্রীকে মারধর করে মাতব্বরের বিরুদ্ধে উৎকোচ আদায়ের অভিযোগ

পারভেজ আলী, বেলকুচি (সিরাজগঞ্জ)প্রতিনিধিঃ সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে স্বামী – স্ত্রীকে মারধর করে জোরপূর্বক স্থানীয় মাতব্বরের বিরুদ্ধে উৎকোচ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। বেলকুচি উপজেলার ভাঙ্গাবাড়ী আওতাধীন রয়নাপাড়া গ্রামে স্বামী স্ত্রীকে মারধর করে জোরপূর্বক ২০ হাজার টাকা আদায় করে নেওয়ার অভিযোগ তুলেছে ভুক্তভোগী স্বামী স্ত্রী ঐ গ্রামের চাঁন মাতব্বরের বিরুদ্ধে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নির্যাতিত স্বামী রোমজান আলী ও স্ত্রী খাদিজা বেগম ঈদ উপলক্ষে তার বোনের বাড়ী রয়নাপাড়া গ্রামের কামালের বাড়ীতে বেড়াতে আসে। ঐদিন রাতেই গ্রামের কিছু বকাটে ছেলে চাঁন মাতব্বরের উপস্থিতিতেই তাদের উপর অসাজিক মারধর করে স্বামী রমজান আলীর নিকট ৬০ হাজার টাকা দাবি করে। নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে রমজান আলী তার বন্ধুদের ফোন করে রাত দুইটার সময় ২০ হাজার টাকা ব্যবস্থা করে দেয়।

নির্যাতিত খাদিজা খাতুন জানায়, তিন বছর পূর্বে তার স্বামী মারা যায়। দুই মাস পূর্বে খাদিজার সাথে রমজান আলীর কাবিন নামা ছাড়া সামাজিক ভাবে বিয়ে হয়। তাদের কাবিন না হওয়ার কারণে ভয়ভিতি মারধর করে প্রথমে ২০ হাজার পরে কাবিন করে দেয়ার কথা বলে আরও ৩০ হাজার টাকা দাবি করে। টাকা দিতে অস্বীকার করলে পুলিশের ভয় দেখিয়ে চাঁন মাতব্বর বলে পুলিশকে ফোন করেছি পুলিশের গাড়ি আসতেছে আর তারই ইশারায় গ্রামের ভকাটে ছেলে মাসুদ, সেলিম সহ অনেকেই বাড়ীঘর ভাংচুর করে টাকা পয়সা গহনা নিয়ে যায়।

নির্যাতনের একপর্যায়ে খাদিজা ও তার বোনকে পুলিশের ভয় দেখিয়ে কাবিনের কাজ সম্পন্য করে দেয়ার জন্য ১২ হাজার টাকা দিতে বাধ্য করে ৬ হাজার টাকা নগদ নেয়। বাকি ৬ হাজার টাকা এক সপ্তাহ সময় দিয়ে বলে টাকা দিতে লেট হলে বাড়ীঘরে আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দিব।

এবিষয়ে চাঁন মাতব্বরের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি প্রতিবেদককে জানান, লোকমুখে বিষয়টি সম্পর্কে জানতে পারলে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হই। স্থানীয় ছেলেদের খরচ বাবদ আমি ৬ হাজার টাকা নিয়েছি। আর বাকী টাকার বিষয়ে কিছু বলতে পারব না।