বেলকুচিতে লকডাউন সিথিল হওয়ার আগেই জনস্রোতে পরিনিত

পারভেজ আলী, বেলকুচি (সিরাজগঞ্জ)প্রতিনিধি: করোনা ভাইরাসের সক্রমন রোধে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী দেশে চলছে একের পর এক লকডাউনের সময়সীমা বৃদ্ধির ঘোষণা। মানুষকে ঘরমুখি করতে মাঠ প্রশাসন পুলিশ, র‍্যাব, সেনাবাহিনী’র সদস্যদে তৎপরতা রয়েছে চোখে পরার মত । তারপরও সিরাজগঞ্জের বেলকুচির চিত্র একটু ভিন্ন। আসন্ন ঈদকে ঘিরে এ অঞ্চলের মানুষের ব্যস্ততা যেন দ্বিগুন বেড়ে গিয়েছে। বিশেষ করে বেলকুচি উপজেলার প্রাণকেন্দ্র খ্যাত মুকুন্দগাঁতি বাজারের দিকে তাকালে মনে হয় দেশের পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক। মানুষ তাদের চলাফেরার মধ্যে মানছে না কোন সামাজিক দূরত্ব। নেই তাদের ভিতরে কোন করোনা ভাইরাস সংক্রামিত হওয়ার ভয়। একে অপরে গায়ের সাথে গা ঘেঁষে চলাফেরা ও বাজার থেকে তাদের প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ক্রয় করছে। দূর থেকে দেখলে মনে হয় এ যেন জনসমুদ্রে পরিনিত হয়েছে।

এদিকে বেলকুচি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোফাখখারুল ইসলাম জানান, করোনা ভাইরাস একটি সক্রামক ব্যাধি। আমাদের কিছুতেই গনজমায়েত সৃষ্টি করা যাবে না।কারণ এটি এক মানবদেহ দেহ হতে দূত অন্য মানবদেহকে সংক্রমিত করতে পারে। তাই গনজমায়েত না করে মানুষের উচিত সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ও মাস্ক ব্যবহার করে দৈনন্দিন কার্য সম্পাদন করা। তা না হলে এটি ভয়াবহ রুপ নিতে পারে।

বেলকুচি থানা অফিসার ইনচার্জ আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, করোনার সংক্রমন রোধে সমাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে ও মানুষকে সচেতন করতে আমরা পুলিশ প্রশাসন সর্বদা চেষ্টা করছি। আমাদের এই চেষ্টা সরকারী নির্দেশনা অনুযায়ী অব্যহত থাকবে।

অপরদিকে স্থানীয় মাঠ প্রশাসন হিসাবে বেলকুচি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গনজাময়েত সৃষ্টি রোধে কি ধরনের পদক্ষেপ নেবেন সে বিষয়ে জানার জন্য তার মুঠো ফোনে একাধিক বার যোগাযোগ করা হলেও তার সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।