বেলকুচিতে রাস্তার কাজে দূর্নীতির অভিযোগ

পারভেজ আলী, বেলকুচি (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে রাস্তার কাজে অনিয়ম ও দূর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।

বেলকুচি উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের গোপালপুর গ্রামের (এলজিএসপি-৩) প্রকল্পের (বিবিজি)

রাস্তার কাজের বরাদ্ধকৃত অর্থ লোপাট ও ক অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

২০১৯-২০ অর্থবছরে সরকারিভাবে গোপালপুর হাজী ছাত্তার মোল্লার মার্কেটের মোড় হইতে বাবু দোকানদারের বাড়ি পর্যন্ত

আর সিসি রাস্তা নির্মাণ জন্য এলজিএসপি প্রকল্পের আওতায় ৫ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হলেও

কাজ সম্পূর্ন না করে অর্ধেক কাজ করেছেন বলে অভিযোগ করছেন স্থানীয় গ্রামবাসীরা।

এমনকি এই প্রকল্পের যাকে আহবায়ক করা হয়েছে সে বিষয়ে তিনি অবিহিত ছিলেন না বলে

দৌলতপুর ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য নাজমা বেগম। নাজমা বেগম প্রতিবেদককে জানান,

আমি এই রাস্তার কাজের ব্যাপারে কিছুই জানি না। কবে এই রাস্তা হয়েছে আর কাকে আহবায়ক করা হয়েছে তা আমার জানা নাই।

প্রকল্পের কাজ করেছেন দৌলতপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের লোক ও স্থানীয় ইউপি সদস্য হারেজ মোল্লা।

প্রকল্পের আহব্বায়ক হিসাবে থাকার বিষয়ে তিনি বলেন, আমি যদি ঐ রাস্তার আহব্বায়ক যদি হয়ে থাকি তবে তা শুধু নাম মাত্র।

স্থানীয় একাধিক ব্যক্তির সাথে কথা বললে তারা জানায়, এই গোপালপুর গ্রামের হাজী ছাত্তার মোল্লার মোড় হতে এই রাস্তাটি ২০ বছর যাবত

কোন মেরামতের কাজ হয়নি। বর্ষার সময় আমাদের যাতায়াতে অনেক কষ্ট হয়। পানি বন্দী হয়ে থাকতে হয়।

শুনলাম রাস্তার কাজের জন্য ৫ লক্ষ টাকা বরাদ্দ এসেছে । একটু কাজ করে বন্ধ হয়ে গেছে।

শুনলাম যে কাজ শেষ। যে কাজ করছে তাতে সর্বোচ্চ ২ লক্ষ টাকা খরচ হয়েছে। বাকী টাকা তাহলে কি হাওয়া হয়ে গেছে।

এ বিষয়ে ৯নং ইউপি সদস্য হারেজ মোল্লা বলেন, গোপালপুর হাজী ছাত্তার মোল্লা মার্কেটের মোড় হতে বাবু দোকানের মোড় পর্যন্ত

রাস্তা হওয়ার কথা থাকলেও অর্ধেক কাজ করা হয়েছে। তবে তিনি প্রতিবেদকের কাছে দাবী করেন যতোটুকু

রাস্তার জন্য বরাদ্দ হয়েছিল ততো টাকা ব্যয় হয়েছে। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে দৌলতপুর ইউনিয়ন

পরিষদের সচিব খাইরুল জামান লিটন বলেন, প্রকল্পের বরাদ্দ অনুযায়ী অর্থ বরাদ্দ ছিল অপ্রতুল।

এ কারণে প্রকল্প অনুযায়ী কাজ করা সম্ভব হয়নি। এখানে অর্থ আত্মসাতের কোনো সুযোগ নেই।

প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি উপজেলা নির্বাহী অফিসার আনিসুর রহমান বলেন,

গোপালপুরের এলজিএসপির রাস্তাটি পরির্দশন করা হবে। সম্পন্ন কাজ না করলে বিল পাবে না।

প্রকল্প অনুযায়ী যতটুকু কাজ আছে ততোটুকুই করতে হবে। যদি কাজে কোন অনিয়ম থাকে তাহলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।