বেলকুচিতে করোনা ভয়কে উপেক্ষা করে জমে উঠেছে ঈদের বাজার

 পারভেজ আলী, বেলকুচি (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি: করোনার ভয়কে উপেক্ষা করে জমে উঠেছে সিরাজগঞ্জের বেলকুচির মুকুন্দগাঁতি ঈদের বাজার। স্বাস্থবিধি মেনে ও সামাজিক দূরত্ব বজায় না রেখে মানুষ ঈদের কেনাকাটার জন্য ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। এতে করে এ অঞ্চলের মানুষের মাঝে করোনা ভাইরাস সংক্রমিত হতে পারে।
সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সকাল ১০ টা হতে বেলা ৪টা পর্যন্ত সিমিত আকারে স্বাস্থ বিধি ও সামজিক দূরত্ব বজায় রেখে কেনাকাটার জন্য স্থানীয় প্রশাসন থেকে নির্দেশ দেওয়া থাকলেও বাস্তব চিত্র তার উল্টো। মানুষ একজন আরেকজনের গায়ের সাথে গা ঘেঁষে ঈদের কেনাকাটা করছে। তাদের কেনা কাটা দেখলে মনে হয় করোনা ভাইরাসের কোন ভয় নেই বাজারে আগত ক্রেতাদের মাঝে। প্রতিটি দোকানে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়। তাদের নেই কোন স্বাস্থ্য সুরক্ষা ব্যবস্থা। মুকুন্দগাঁতি বাজারের ব্যবসায়ী ফরিদ আহম্মেদ জানান, করোনা ভাইরাস যেভাবে বিস্তার করছে তার হাত থেকে আমরা রক্ষা পাব না।
কারণ এ এলাকার মানুষ যে ভাবে মার্কেটে কেনাকাটা করতে আসছে তাতে মনে হয় বেলকুচির মানুষকে দেখে করোনা ভয়ে পালিয়ে গেছে। কেউ করোনা চিন্তা করছে না। সবার চিন্তা জীবন নিয়ে না। এদের চিন্তা ঈদকে নিয়ে। এভাবে যদি সামাজিক দূরত্ব বজায় না রেখে মানুষ কেনাকাটা করতে থাকে তবে সামনে এ অঞ্চলের মানুষের মাঝে করোনা সংক্রমিত হতে পারে। আমি মনে করে প্রশাসন ও বাজার বনিক সমিত থেকে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।
এবিষয়ে বেলকুচি উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা ও মুকুন্দগাঁতি বাজার বণিক সমিতির অন্তবর্তী ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি সিরাজুল ইসলাম বলেন, আমরা বাজারে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে প্রতিটি দোকানে নির্দেশনা প্রদান করেছি। এছাড়াও ক্রেতাদের জনসমাগম রোধের জন্য ৬ জন সেচ্ছা সেবক নিয়োগ দিয়েছি। আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি যাতে করে মানুষ সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা রেখে কেনাকাটা করে। তারপর যদি ক্রেতারা এ বিষয়গুলো না মেনে চলে তাহলে কি করার থাকে। আর এই বিষয়ে বেলকুচি নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিষ্ট্রেট সিফাত ই জাহানের সাথে মুঠোফোনে বার বার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তিনি প্রতিবেদকের ফোন ধরেননি।