বেলকুচিতে কনকনে শীতের কারণে বিপাকে নিম্ন আয়ের মানুষ

পারভেজ আলী, বেলকুচি (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ টানা ৫ দিন ধরে ঘন কুয়াশা আর মৃদু হাওয়ার কারণে সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে কনকনে শীত অনুভূত হচ্ছে। যার ফলে এই উপজেলায় বসবাসকারী নিম্ন আয়ের মানুষ বিপাকে পরেছে। করোনা প্রভাবের কারণে তাঁতশিল্পের মন্দা দেখা দেওয়ায় কারণে শিল্প নির্ভর নিম্ন আয়ের মানুষ এখন অনেকটাই মানবেতর জীবনযাপন করছে।

অর্থনৈতিক অসচ্ছল মানুষগুলো টাকার অভাবের কারণে ঠিকমত শীতবস্ত্র কিনতে পারছে না। বিশেষ করে শীতের প্রভাব পরেছে বেলকুচি সদর, বড়ধূল ও রাজাপুর ইউনিয়নের আওতায় বসবাসকারী চরাঞ্চলের মানুষেরগুলোর উপর। এসব ইউনিয়নের অধীনে বসবাসরত মানুষের সাথে কথা বলে জানাযায়, করোনার প্রভাবের কারণে এমনিতেই তারা অর্থনৈতিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে পরেছে। তার সাথে ৪ দফায় বর্ন্যার কারণে ফসলি জমি নষ্ট হয়ে গেছে।

অনেকেরই জমি নদী গর্ভে বিলিন হয়ে গেছে। এখন নতুন করে শীতের আগমনের কারণে তাদের জীবনযাত্রারমান থমকে গিয়ে অসহায় শীতবস্ত্রহীন ভাবে মানবেতর জীবনযাপন করছে। খুব শীঘ্রই এসব অঞ্চলের মানুষের শীতকে লাঘব করতে সরকারী সহায়তার পাশাপাশি সমাজের বৃত্তবানেরা এগিয়ে আসবে বলে মনে করছেন তারা।

বেলকুচি সদর ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান মির্জা সোলাইমান জানান, আমার ইউনিয়নটির মানুষ সম্পূর্ণ কৃষি কাজের উপর নির্ভরশীল। করোনা আর বন্যার কারণে আমার এলাকার মানুষ অর্থনৈতিক দিয়ে একেবারে ক্ষতি গ্রস্থ হয়ে পরেছে। শীত বস্ত্র এরা কিনবে কেমন করে। আর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম সাজেদুল জানালেন,

বেলকুচি উপজেলার ৬ টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত। তার মধ্যে ৩ টি ইউনিয়ন চর বেষ্টিত। এদের আয় রোজগার নির্ভর করে আবাদ বসতের উপর। বন্যা আর করোনায় এদের যে ক্ষতি হয়েছে তাতে তাদের খাবারে জোগান দেওয়াটাই দায়। শীতবস্ত্রের জোগান এরা কোথা থেকে দেবে।

তাই আমি সরকারের যারা উর্ধতন কর্মকর্তা রয়েছেন তাদের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, আমার এই উপজেলার মানুষের শীতের কষ্ট লাগবের জন্য তারা দূত আশু ব্যবস্থা গ্রহন করবেন। এবিষয়ে বেলকুচি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আনিসুর রহমান প্রতিবেদকে বলেন, আমরা সরকারী ভাবে কিছু শীতের কম্বল পেয়েছি। এগুলো বিতরণ করা হবে।