বিশ্ব এইডস দিবসঃ ১লা ডিসেম্বর

বিশ্ব এইডস দিবস আজ।

১৯৮৯ সালে বাংলাদেশে প্রথম এইচআইভিতে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। এরপর থেকে ১০, ২০, ১০০ বা ২০০ জন করে নতুন রোগী প্রতিবছর শনাক্ত হয়েছে। ২০১৮ সালে নতুন রোগী বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৬৯ জনে। এইচআইভিতে আক্রান্ত হয়ে প্রথম এক রোগী মারা যায় ২০০০ সালে। ২০১৮ সালে একই রোগে মৃতের সংখ্যা ১৪৮। এ বছর নতুন আক্রান্তের সংখ্যা এক হাজার ছাড়িয়েছে। তবে মৃত্যু কিছু কমেছে বলে জানিয়েছে নির্ভরযোগ্য সূত্র |

এইচআইভি এইডস

এইচআইভি একটি জীবাণু যা একটি ভাইরাস থেকে হয়। এটি একটি বিশেষত বিপজ্জনক ভাইরাস যা আমাদের শরীরকে অন্যান্য জীবাণু থেকে ভালভাবে রক্ষা করার ক্ষমতাকে রোধ করে বা বন্ধ করে দেয়।

এইচআইভি অদৃশ্য থাকে এবং শরীরের রক্ত এবং যৌনমিলনের সময় তৈরি অন্যান্য তরলে জীবনযাপন করে। এইচআইভি সংক্রমিত হতে পারে (১) যৌন মিলনের সময়, (২) আক্রান্ত মা থেকে গর্ভের শিশুতে এবং (৩) রক্তের মাধ্যমে।

বিজ্ঞানীরা এমন ওষুধ তৈরি করেছেন যা এইচআইভিকে বিপজ্জনক হতে বাধা দেয় কিন্তু কেউ এটি সম্পূর্ণরূপে শরীর থেকে সরিয়ে দেবার উপায় খুঁজে পায়নি।

 

শিশুরা যাতে বিষয়টি আরো ভালোভাবে বুঝে এবং সেটি অন্যদের মাঝে প্রচার করতে পারে তার জন্য কিছু কাজের কথা উল্লেখ করা হলঃ

  • একজন স্বাস্থ্যকর্মীকে স্কুলে আমন্ত্রণ করুন এবং এইচআইভি ও এইডস সংক্রান্ত প্রশ্নগুলোকে উত্তর দিতে বলুন।
  • এইডস দ্বারা আক্রান্ত নিজের সম্প্রদায়ের শিশুদের সাহায্য করার উপায় খুঁজে বের করুন।
  • লাইফাইন গেম খেলুন এবং ঝুঁকিপূর্ণ আচরণগুলি সম্পর্কে জানান যা এইচআইভির সংস্পর্শে আনতে পারে।
  • তৈরি করুন এবং খেলুন সত্য এবং মিথ্যা খেলা যা কিভাবে একজন ব্যক্তি থেকে অন্য ব্যক্তির কাছে এইচআইভি ছড়াতে পারে তা জানায়।
  • চিন্তা করুন এইচআইভি অথবা এইডস আছে এমন কারো সমস্যা সে কিভাবে মোকাবিলা করে এবং আমরা কিভাবে তাকে সহযোগিতা করতে পারি।
  • অভিনয় করে দেখান কোন এইচআইভি আক্রান্ত ব্যক্তিকে এবং অনুভব করুন এই ব্যাধিতে আক্রান্ত হতে কেমন লাগে।
  • শুনুন এবং আলোচনা করুন এইচআইভি আক্রান্ত ব্যক্তিদের গল্প এবং তারা কি সমস্যার মুখোমুখি হয় সেসব।
  • স্কুলে এবং পরিবারের সাথে সচেতনতা বৃদ্ধি করার জন্য স্কুলে একটি এইচআইভি এবং এইডস অ্যাকশন ক্লাব শুরু করুন।
  • এইচআইভি এবং এইডস সম্পর্কে জানাতে স্কুলের জন্যে একটি পোস্টার তৈরি করুন।