বিদ্যুতের পর এবার পানির ভূতুড়ে বিল

বিদ্যুতের পর এবার পানির ভূতুড়ে বিলের বোঝা। একদিকে ময়লা, দুর্গন্ধযুক্ত পানি তার ওপর বিলের খড়গ নেমে আসায় দিশেহারা রাজধানীবাসী। করোনাকালে তিন থেকে পাঁচগুণ পর্যন্ত বেশি বিল আসার অভিযোগ এসেছে। বিষয়টিকে বেআইনি বলছে ক্যাব। অতিরিক্ত বিল সমন্বয়ের দায়সারা আশ্বাস ওয়াসার।

রাজধানীর আদাবরের বাসিন্দা ফোয়াদ নাসের। করোনার আগে গড়ে পানির বিল দিয়েছেন ১০ হাজারের নিচে। আর বর্তমান সময়ে ভাড়াটিয়া কমেছে তবুও গত দুই মাস বিল দিয়েছেন ২৫ হাজার টাকার উপর। একই অবস্থা কুড়িলের কুলাউড়াসহ বিভিন্ন এলাকার। ভূতুড়ে বিলের খপ্পরে দিশেহারা নগরবাসী।

এরই মধ্যে ১ এপ্রিল থেকে আবাসিক গ্রাহকদের জন্য প্রতি ইউনিট পানির দাম ১১.৫৭ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৪.৪৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। অন্যদিকে, বাণিজ্যিক গ্রাহকদের ক্ষেত্রে প্রতি ইউনিট পানির দাম ৯.৯৪%। যদিও উচ্চ আদালতের নির্দেশনা অমান্য করেই এই বাড়তি বিল আদায় করছে ওয়াসা।

সুপেয় পানি সরবারহ না করে উল্টো দাম বৃদ্ধির আইনসঙ্গত নয় বলে দাবি কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ-ক্যাবের। ভূতুড়ে বিলের বিষয়েও ওয়াসার গাফিলতিকে দুষছে প্রতিষ্ঠানটি।

পানি সরবরাহ ও পয়ঃনিষ্কাশন আইন-১৯৯৬ অনুযায়ী, প্রতিবছর সর্বোচ্চ ৫ শতাংশ হারে পানির দাম বাড়াতে পারবে ওয়াসা বোর্ড। গত এক যুগে ১৩ বার পানির দাম বাড়ানো হয়েছে।