বিচারিক ক্ষমতা নিয়ে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিতে মাঠে নামছে পুলিশ

নানা চেষ্টার পরও এখনও অনেকেই মানছেন না স্বাস্থ্যবিধি। এবার সরকারের নির্দেশে বিচারিক ক্ষমতা নিয়ে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিতে মাঠে নামছে পুলিশ।  

 

জনস্বাস্থ্যবিদরা মনে করেন, এটি স্বাস্থ্য বিভাগের দায়িত্ব। তবে ক্ষমতার অপব্যবহার হওয়ার আশঙ্কা করছেন

সমাজবিজ্ঞানীরা। যদিও পুলিশ বলছে, মাঠ পর্যায়ে পরিদর্শক পদমর্যাদার কর্মকর্তারা এ নিয়ে কাজ করবেন। আর সার্বক্ষণিক তা মনিটরিং করা হবে।

মহামারির শুরু থেকেই সারা দেশে করোনা প্রতিরোধে সম্মুখ সারির যোদ্ধা হিসেবে কাজ করছে পুলিশ। ঘরে

রাখতে চলমান কঠোর সরকারি নানা বিধিনিষেধ মানাতেও কাজ করছে পুলিশ। কিন্তু চলমান বিধি নিষেধেও

নানাভাবে চেষ্টা করেও শতভাগ স্বাস্থ্যবিধি মানানো যায়নি সর্বসাধারণকে। তাই এবার আরো কঠোর হতে পুলিশকে বিচারিক ক্ষমতা দেয়া হচ্ছে।

সংক্রমক রোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. বে-নজীর আহমেদ মনে করেন, পুলিশকে বিচারিক ক্ষমতা দিয়ে কাজ হবে না। স্বাস্থ্যবিধি মানানোর কাজ  স্বাস্থ্য বিভাগকে ই করতে হবে।

সমাজ বিজ্ঞানী ড. নেহাল করীমের মতে, পুলিশের হাতে হঠাৎ বিচারিক ক্ষমতা গেলে তার অপব্যবহার হতে পারে।

তবে ডিএমপি কমিশনার মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম বলছেন, পুলিশের উদ্দেশ্য জরিমানা করা হয়, বরং মানুষকে সচেতন করা। আর এতে  সুফল আসবে বলেও জানান তিনি।

পুলিশের ইনসপেক্টর পর্যন্ত কর্মকর্তাদের দেয়া হবে বিচারিক ক্ষমতা। অপব্যবহার ঠেকাতে কঠোর নজরদারি রাখার কথাও বলেন ডিএমপি কমিশনার।

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলছেন, এই প্রক্রিয়া শেষ করতে সম্পন্ন করতে বেশ কিছু ধাপের কাজ শেষ করতে হবে।