বিএসপিএ বর্ষসেরা ক্রীড়াবিদ রোমান সানা

সাকিব আল হাসান ও জামাল ভূঁইয়াকে পেছনে ফেলে বাংলাদেশ ক্রীড়া লেখক সমিতির বর্ষসেরা ক্রীড়াবিদ হয়েছেন আর্চার রোমান সানা। সমর্থকদের ভোটে দেশ সেরা ক্রীড়াবিদ হয়েছেন এই আর্চার। দেশের জনপ্রিয় দুই অ্যাথলিটকে পেছেনে ফেলে সেরার পুরস্কার পাওয়ায় অভিভূত রোমান। এছাড়া বর্ষসেরা ক্রিকেটার হয়েছেন সাকিব আল হাসান। আর বর্ষসেরা ফুটবলার জামাল ভূইয়া। এদিকে, আর্চারিতে সাফল্যের ধারা অব্যাহত থাকায় দেশসেরা পৃষ্ঠপোষক প্রতিষ্ঠান হয়েছে আর্চারির প্রধান পৃষ্ঠপোষক সিটি গ্রুপ।

এ যেন তারার মেলা। আলো ঝলমলে মঞ্চ উপস্থিত ক্রীড়াঙ্গনের প্রায় সব অ্যাথলিটরা। উপলক্ষ্য বাংলাদেশ ক্রীড়া লেখক সমিতি’র বর্ষসেরা পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান। সেরাদের সেরা হবে কে? তা জানতেই অপেক্ষা।

সবার চোখ ছিল এবার কে হবে বর্ষসেরা ক্রীড়াবিদ এবং সমর্থকদের ভোটে বর্ষসেরা অ্যাথলিট। গেলো ৪ বছর যে দুটি পুরস্কার জিতে এসেছেন ক্রিকেটাররা। তবে এবার হলো ভিন্ন। বর্ষসেরা এবং সমর্থকদের ভোটে নির্বাচিত ক্রীড়াবিদ দুটি পুরস্কারই গেছে আর্চারিতে। এস এ গেমসের সাফল্যে রোমান সানা জিতলেন সেই পুরস্কার। যেখানে পেছনে ফেলেন সাকিব আল হাসান এবং ফুটবলার জামাল ভূইয়াকে।

বিএসপিএ বর্ষসেরা ও সমর্থক ভোটে নির্বাচিত ক্রিড়াবিদ রোমান সানা বলেন, এটা আমার জন্যে চমক। আমি নিজেই বিস্মিত হয়ে গেছি, এটা আসলে সম্ভব নাকি! এখনো পর্যন্ত বিশ্বাস হচ্ছে না আমি অ্যাওয়ার্ডটা জিতেছি। দায়িত্বের সঙ্গে ভালো করার ইচ্ছেটা জেগে গেলো।

বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ থেকে বিদায় নিয়ে মন ভাল নেই অধিনায়ক জামাল ভূইয়ার। ব্যক্তিগত অর্জন কিছুটা হাসি ফোটালেও চাপা কষ্ট ঘরের মাঠে দর্শক হয়ে থাকা। তবে বর্ষসেরা ফুটবলার হয়ে বেড়েছে দায়িত্ব। আর কারাতেতে এসএ গেমসে স্বর্ণ এনে দেয়া অন্তরার প্রত্যাশা দেশকে আরো বহু দূর নিয়ে যাওয়া।

বিএসপিএ বর্ষসেরা ফুটবলার জামাল ভূঁইয়া বলেন, চেষ্টা করবো আমি আরও ভালো খেলার। পুরস্কার পেয়ে খুব ভালো লাগতেছে।

বর্ষসেরা ক্রিকেটার নির্বাচিত হয়েছেন অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। এদিন, অনুষ্ঠানে সাকিব উপস্থিত না থাকায় তার পক্ষে পুরষ্কার গ্রহণ করেন সাবেক ক্রিকেটার রাকিবুল হাসান।

এবারের পুরস্কার জয়ীরা হলেন
বর্ষসেরা ক্রীড়াবিদ: রোমান সানা (আর্চারী)।
পপুলার চয়েজ অ্যাওয়ার্ড: রোমান সানা (আর্চারী)।
বর্ষসেরা ক্রিকেটার: সাকিব আল হাসান
বর্ষসেরা ফুটবলার: জামাল ভুঁইয়া
বর্ষসেরা আর্চার: রোমান সানা
বর্ষসেরা ভারোত্তোলক: মাবিয়া আক্তার সীমান্ত
বর্ষসেরা কারাতেকা: হুমায়রা আক্তার অন্তরা
বর্ষসেরা ফেন্সার: ফাতেমা মুজিব
উদীয়মান ক্রীড়াবিদ: ইতি খাতুন (আর্চারী)
বর্ষসেরা তায়কোয়ান্দো খেলোয়াড়: দীপু চাকমা
বর্ষসেরা কোচ: মার্টিন ফ্রেডরিক
বর্ষসেরা সংগঠক: কাজী রাজিব উদ্দিন আহমেদ চপল
তৃণমূলের ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব (দু’জন): রফিক উল্যাহ আখতার মিলন এবং তাজুল ইসলাম
বিশেষ সম্মাননা: আব্দুল জলিল
বর্ষসেরা পৃষ্ঠপোষক: সিটি গ্রুপ।