বাড়ছে করোনার সংক্রমণ আবারও লকডাউন যুক্তরাজ্যে

টিকা দিয়েও লাগাম টানা যাচ্ছে না করোনার। এ অবস্থায় আবারও কঠোর লকডাউনের ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাজ্য। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেছেন, নতুন ধরন শনাক্তের পর করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে। লকডাউন ঘোষণা করেছে স্কটল্যান্ডও।

অক্সফোর্ডের উদ্ভাবিত করোনার টিকার অনুমোদনের পর লন্ডনের একটি হাসপাতালে তা প্রয়োগের সময় পরিদর্শন করেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি ও অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার পাশাপাশি দেশজুড়ে ফাইজার-বায়োএনটেকের ভ্যাকসিনের প্রয়োগ চলছে পুরোদমে।

তবে এরপরও লাগামহীন করোনা। বিশেষ করে নতুন ধরন শনাক্তের পর ব্রিটেনের করোনা পরিস্থিতি আরো মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। টানা প্রায় ৭ দিন ধরে প্রতিদিন ৫০ হাজারের বেশি মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন। এ অবস্থায় আরো কঠোর বিধিনিষেধ আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী।

করোনা মোকাবিলা ও হাসপাতালগুলোতে চাপ কমাতে মঙ্গলবার (৫ জানুয়ারি) থেকেই লকডাউন ঘোষণা করেছেন স্কটল্যান্ডের ফার্স্ট মিনিস্টার নিকোলা স্টার্জন।

যুক্তরাষ্ট্র জুড়েও চলছে টিকাদান কর্মসূচি। এরমধ্যেই করোনার টিকার দ্বিতীয় ডোজও নিতে শুরু করেছেন অনেকে। এরপরও এখনো আক্রান্ত ও মৃতের দিক দিয়ে শীর্ষে অবস্থান করছে দেশটি। গেল একদিনের আক্রান্ত হয়েছেন প্রায় ২ লাখ মানুষ। এরমধ্যে সবচেয়ে নাজুক অবস্থা ক্যালিফোর্নিয়ার। একদিনেই রেকর্ড ২১ হাজারের বেশি করোনা আক্রান্ত রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। হাসপাতালগুলোতে পার্কিংয়ের জন্য দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে হচ্ছে অ্যাম্বুলেন্সগুলোকে।

যুক্তরাষ্ট্রের পরপরই অবস্থান করছে ভারত ও ব্রাজিল। পাশাপাশি ইউরোপের করোনা পরিস্থিতিরও তেমন কোনো উন্নতি নেই। রাশিয়া ও ফ্রান্স, স্পেনের পাশাপাশি গোটা বিশ্বেই আশঙ্কাজনকহারে বেড়ে চলেছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা।