বারহাট্টা অপহরণ করে অর্থ আদায়ের চেষ্ঠা; এখন হুমকি দিচ্ছে অপহরণের হুকুম দাতা

মামুন কৌশিক, বারহাট্টা উপজেলা প্রতিনিধি: নেত্রকোণা সদরের চড়পাড়া গ্রামের জৈনক তাহের উদ্দিনকে গত দশ তারিখ মোটরসাইকেলে তুলে নিয়ে যায় বারহাট্টা উপজেলা ছালিপুড়া গ্রামের কদম আলী। জানা যায় শাহাঙ্গীরের নির্দেশে কদম আলী জৈনক তাহের উদ্দিন কে তুলে নিয়ে যায়।

এ বিষয়ে বারহাট্টা থানার অফিসার ইনচার্জ মিজানুর রহমান বলেন যে, বারহাট্টা থানা পুলিশ দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে আসামী কদম আলী সহ আরো দুইজনকে গ্রেফতার করেছে। তবে হুকুমদাতা শাহাঙ্গীরকে গ্রেফতার করা যায়নি এখনও। তবে শাহাঙ্গীরকে দ্রুত গ্রেফতার করার চেষ্টা চলছে। ভুক্তভোগী তাহের উদ্দিন বলেন যে, আমাকে কদম আলীর মায়ের অসুস্থতার কথা বলে আমার বাড়ির (চরপাড়া নেত্রকোণা সদর) সামনে থেকে মোটর সাইকেলে বারহাট্টা উপজেলার ছালিপুড়া গ্রামে নিয়ে যায়। আমাকে নিয়ে একটা জঙ্গলঘেরা বাড়িতে আটকে রাখে কদমআলী। তারপরে আমার ছেলেকে ফোন করে বলে যে দুইলক্ষ টাকা না নিয়ে আসলে আমাকে ছাড়বে না।আমাকে মেরে ফেলবে। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী তাহের উদ্দিনের ছেলে বলেন যে, আমাকে ফোন দিয়ে অপহরণ কারীরা দুইলক্ষ টাকা চায় এবং বলে আমি যেন কাউকে না জানিয়ে টাকাটা নিয়ে যাই।তখন আমি অপহরণকারী কদমালীর আত্বীয়স্বজনদের সাথে যোগাযোগ করি। প্রথমে তারা দ্রুত সমাধান করে আমার বাবাকে এনে দিবে বললেও পরেই বলে যে বিষয়টা তাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে। তখন আমি বারহাট্টা থানাতে যোগাযোগ করি। কিছুক্ষণ পরে কদমআলী আবার আমাকে ফোন করে তখন আমি বলি যে, আমি টাকা নিয়ে এসেছি। আমার সাথে পুলিশ প্রশাসনও ছিল। তখন হালিম নামের একটা ছেলে আমার কাছে আসে টাকা নেওয়ার জন্য। তখন লুকিয়ে থাকা পুলিশ সদস্যরা থাকে গ্রেফতার করে। তখন পুলিশ সদস্যরা হালিমকে গ্রেফতার তরে মূল আসামী কদমআলীকে গ্রেফতারের জন্য ছালিপুড়া গ্রামের দিকে যায়। তখন পুলিশ ও আমি গিয়ে দেখি যে কদমআলী একটা রামদা নিয়ে দৌড়াদোড়ী করছে। তখন কদমআলীকে পুলিশ গ্রেফতার করে এবং আমার বাবাকে উদ্ধার করে। এখন আমরা আমার বাবাকে যারা অপহরণ করেছে তাদের উপযুক্ত বিচার দাবি করছি। আমরা কদম আলী ও হুকুমদাতা শাহাঙ্গীরের বিচার চাই। আমরা গরিব মানুষ সরকারের কাছে দোষীদের বিচার চাই। এখন প্রায়ই অপহরণ হুকুম দাতা শাহাঙ্গীর আমাদের হুমকি দিচ্ছে।