বান্দরবানে অসহায় জীবন যাপন করছে পাহাড়ের শ্রমজীবী মানুষ

রানা মারমা, বান্দরবান প্রতিনিধি: পাহাড়ের শ্রমজীবী মানুষেদের প্রতি মানবিক হোন, পার্বত্য চট্টগ্রাম বাংলাদেশের মোট আয়তন এক দশমাংশ এলাকা জুড়ে অবস্থিত হলেও এ অঞ্চলের অধিকাংশ মানুষদের জীবিকার তাগিদে থাকতে হচ্ছে ঢাকা, চট্টগ্রাম, নারায়ণগঞ্জসহ শিল্পাঞ্চলে। মহামারি করোনা ভাইরাসের সংক্রামণ রোধে সরকার সাধারন ছুটি ঘোষণা করে সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছে। এমন পরিস্থিতিত নিম্মআয়ের শ্রমজীবি শ্রমজীবী মানুষদের রোজগাড় ভরসাস্থল অধিকাংশ কলকাখানা বন্ধ। বেতন ভাতা দেয়নি সিংহভাগ প্রতিষ্ঠান।

তার উপর যোগ হয়েছে বাড়িওয়ালাদের অমানবিক আচরণ চট্টগ্রামসহ দেসের বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলের আশে পাশের এলাকাগুলোতে বসবাস এসব নিম্মআয়ের শ্রমজীবীদের। একদিকে শিল্প মালিকদের দায়িত্বহীনতা ও অন্যদিকে বাড়ির মালিকদের অমানবিকতার মাঝামাঝি রয়েছে পাহাড়ের এসব মানুষ। এমন পরিস্থিতিতে বিগত কয়েকদিন ধরে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ঢাকা, চট্টগ্রাম, সাভার ও নারায়ণগঞ্জসহ বিভিন্ন শিল্পাঞ্চল থেকে পার্বত্য চট্টগ্রামে ফিরছে হাজারো মানুষ। গণপরিবহন বন্ধ থাকার পরও পায়ে হেটে, পণ্যবাহী ট্রাকসহ বিভিন্ন মাধ্যমে আসছে তারা। এতো পথ পাড়ি দিয়ে নিজের জেলায় প্রবেশের বেলায় তারা আবারও মুখোমুখি হচ্ছে কঠিন বাস্তবতার।এই যেন ত্রিমুখী বিপদের মুখে পাহাড়ের এসব মানুষ।তারা যেখানে স্বল্প মুজরিতে শ্রম দেয় সেখানকার জনপ্রতিনিধি কিয়বা প্রশ্সন যদি তাদের পাশে ছায়া হয় দাঁড়ায় তাহলে তাদের বাড়ি ছেড়ে দেন, খাবারের অভাবে শত মাইল পাড়ি দিয়ে পাহাড় দিয়ে পাহাড়ে আসতে হয় না সরকার করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে যেসব সম্মুথযোন্ধেরলড়াই করছেন করছেন তাদের প্রতি বাড়িওয়ালা বিংবা সমাজের নেতিবাচক আচরণ না পড়ে সে লক্ষে সজাগ থাক থাকতে সংশ্লিষ্টদের নজর রাকতে বলেছেন।

সেই সাথে যদি স সাথে সংশিষ্টদের নজর রাখতে বলেছেন। সে সাথে যদি স্বল্প মজুরির খেটে খাওয়া এসব শ্রমজীবীরা যেন এ সময়ে নিষ্ঠুরতা শিকার না হয় সে দিকে নজর দেয়ার অনুরোধ করছি। চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে বসবাসরত পার্বত্য চট্টগ্রামে মানুষদের জন্য যদি সংশ্লিষ্ট জনপ্রতিনিধরা দুই বেলা আহারের ব্যবস্থা ও মাথা গুজার ঠাঁই নিশ্চিত করে দিতে পারে তাহলে তাদের ঝুঁকি নিয়ে আর পাহাড়মুখী হতে হবে না। এতে করে যেমন মানুষ গুলো ভাল থাকবে, ভাল থাকবে সবুজ পার্বত্য চট্টগ্রাম।

মানুষ গুলোর মজুরি স্বল্প হতে পারে, জীবন স্বল্প নয়। তারাও আমাদের মতো মানুষ, তাদের প্রতি মানবিক হওয়া আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। আর এ কাজে যদি সংশ্লিষ্ট এলাকার জনপ্রতিনিধিরা পার্বত্য বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সমন্বয় চান তবে পার্বত্য বীর মাননীয় মন্ত্রী কখনও না করবেন না বলে ভরসা রাখতে পারেন। কথা গুলো জুয়েল চাকমা সাধারন সম্পাদক, জেলা ক্রীয়া সংস্থা ও সদস্য খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলে পরিষদ।