বান্দরবানের দুর্গম এলাকায় সেনাবাহিনী ত্রাণ পৌছলো হেলিকপ্টারে

রানা মারমা, বান্দরবান প্রতিনিধি: বান্দরবান পার্বত্য জেলার বিভিন্ন দুর্গম এলাকায় বেসামারিক প্রশাসনের অনুরোধ ক্রমে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টারে করে ৩শত ৬০টি ক্ষুদ্র নৃ গোষ্টী পরিবারের জন্য সরকারী ত্রাণ পৌছে দেয়া হয়েছে। বর্তমানে করোনা ভাইরাস এর বর্তমানে পরিস্থিতিতে দেশের দরিদ্রর জনগোষ্টী বিশেষ করে খেতে খাওয়া দিনমজুর এবং প্রান্তিক জনগণ যেন খাদ্য সংকটে না পড়ে সে উদ্দেশ্য সরকার ইতিমধ্যে দেশের প্রতিটি জেলায় দুর্গত মানুষের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ কর্মসুচি গ্রহণ করেছে,এরই ধারাবাহিকতায় বান্দরবান পার্বত্য জেলাতেও সরকারের ত্রাণ সামগ্রী এসে পৌছায়। বান্দরবান জেলার রুমা ও থানচি উপজেলার কয়কটি ইউনিয়নে যোগাযোগ ব্যবস্থা না থাকায় সরকারী ঐ সমস্ত ত্রাণ সামগ্রী পৌছানো সম্ভব হচ্ছিলো না। এর প্রেক্ষিতে,জেলা প্রশাসন এবং পার্বত্য জেলা পরিষদ ঐ সমস্ত এলাকায় ত্রাণ পৌছে দেয়া জন্য বান্দরবান সেনা রিজিয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নিকট সহযোগীতা কমনা করে,তার প্রেক্ষিতে সেনাবাহিনী তাৎক্ষনিকভাবে সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে দেয়। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ২৪ পদাতিক ডিভিশনের (চট্টগ্রাম সেনানিবাস) সার্বিক সহযোগীতা ও তত্বাবধানে আর্মি এভিয়েশন এর একটি বিশেষ হেলিকপ্টারযোগে ঐ সমস্ত এলাকায় ৩,৭২০কেজি ওজনে বিভিন্ন প্রকার ত্রাণ সামগ্রী পৌছে দেয়া হয়। উপজেলা এবং থানচি উপজেলা প্রত্যন্ত অঞ্চলে ম্রো ক্ষুদ্র নৃ গোষ্টীর পরিবারের মাঝে স্হানীয় হেডম্যান, কারবারী ও জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে বিতরণ করা হয়। ত্রাণ বিতরণকালে এসময় বান্দরবান সেনা রিজিয়নের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল খন্দকার মো: শাহিদুল এমরান, মেজর ইফতেখারসহ হেডম্যান ও পাড়ার কারবারীরা উপস্থিত ছিলেন। এ ব্যাপারে ২৪ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল এস এম মতিউর রহমান বলেন, যে কোন দুর্যোগ মোকাবেলা, শিক্ষা ও উন্নয়নমুলক কর্মকান্ডে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী অগ্রণী ভুমিকা পালন করে আসছে এবং ভবিষ্যতেও এই সহযোগীতা অব্যাহত থাকবে। বান্দরবানের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ দাউদুল ইসলাম বলেন, দুর্গম পাহাড়ি এলাকা হওয়া আমরা ঐ সমস্ত এলাকায় ত্রাণ সামগ্রী পৌছে দিতে পারছিলাম না, বিষয়টি বান্দরবান সেনা রিজিয়ন কে অবহিত করলে হেলিকাপ্টার যোগে ঐ এলাকা গুলোতে ত্রাণ সামগ্রী পৌছে দিতে সহযোগিতা করে।