বাগেরহাটের পশুর হাটে পর্যাপ্ত পশু থাকলেও বিক্রি কম

মাহফুজুর রহমান বাপ্পী, বাগেরহাট জেলা প্রতিনিধি: পর্যাপ্ত পশু থাকলেও ক্রেতা প্রায় শূন্য। এমনি চলছে বাগেরহাটের কোরবানির পশুর হাটগুলো। বিক্রি না হওয়ায় হতাশা বিরাজ করছে খামারি ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে। তবে, মৌসুমি ব্যবসায়ীরা দু’একটি গরু কিনলেও কাঙ্ক্ষিত দাম পাচ্ছেন না খামারিয়া। বাগেরহাট জেলা সদরের অন্যতম বৃহৎ পশুরহাট যাত্রাপুরের প্রচুর পরিমাণ পশু দেখা যায়।

পশুর সাথে হাটে মানুষের সংখ্যাও কম নয়। কিন্তু ক্রয় বিক্রয় নেই। হাট ইজারাদারের পক্ষ থেকে সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি পালনের প্রচেষ্টা থাকলেও ক্রেতা বিক্রেতা ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে স্বাস্থ্যবিধির বালাই নেই। খামারিরা বলছেন, সারা বছর গরু লালন-পালন করি কোরবানিতে বিক্রি করবো বলে। এবার করোনার কারণে গোখাদ্যের দাম বৃদ্ধি পাওয়ার পরেও বাধ্য হয়ে খাবার খাওয়াতে হয়েছে। কিন্তু হাটে ক্রেতা নেই বললেই চলে। যারা আছে তারা গরুর প্রকৃত দামের অর্ধেকও বলে না।

কোরবানির আর বাকি মাত্র কয়েকদিন। এর মধ্যে ভাল দামে বিক্রি করতে না পারলে আর কি করব। এবার লোকসানের আর শেষ নেই আমাদের। ব্যবসায়ীরা বলছেন, কোরবানি উপলক্ষে এ বছর যে গরু কিনেছি তাতে আমাদের লাভ হবে না। প্রত্যেকটি গরুর দাম ৫ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা কম বলছে ক্রেতারা। বাজারে ক্রয়-বিক্রয় একদম কম। হাট ইজারাদাররা বলছেন, করোনা পরিস্থিতির কারণে গেল বছরের থেকে এ বছর ক্রয় বিক্রয় অনেক কম।

আমরা চেষ্টা করছি হাটে শতভাগ স্বাস্থ্যবিধি বজায় রাখতে। খোঁজ নিয়ে জানাগেছে একই পরিস্থিতি জেলার অন্যান্য উপজেলার পশুর হাটগুলোর। গত বছর যেসব যায়গাতে ঢাকঢোল পিটিয়ে কোরবানির পশু বিক্রি হয়েছে সেখানে এবার বাজারই বসেনি।