বাগমারা তাহেরপুর পুলিশ ফাঁড়ির এক কর্মকর্তাকে মিথ্যা অজুহাতে ফাঁসানোর অভিযোগ

নুর কুতুবুল আলম,বাগমারা প্রতিনিধি: বাগমারা থানার তাহেরপুর পুলিশ ফাঁড়ির এক পুলিশ কর্মকর্তাকে মিথ্যা অজুহাতে ফাঁসানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে । ঘটনা ও সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলা জানা গেছে, তাহেরপুর পুলিশ ফাঁড়ির এ.এস.আই হারুনুর রশীদ তাহেরপুরস্থ মা টেলিকম থেকে বারো হাজার টাকায় সামসাং A- 20 এ্যান্ড্রয়েড ফোন ক্রয় করেন।

পরবর্তীতে তিনি ওই টেলিকমে VIVO-15 এ্যান্ড্রয়েড ফোন চৌদ্দ হাজার টাকায় বিক্রয় করেন। পাওনা দুই হাজার টাকা নিতে গেলে, দোকানে রক্ষিত সিসি টিভিতে রেকর্ড হয়। পরে ওই ভিডিওটি একটি চক্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আপলোড করেন এবং ঘুষ গ্রহণ করছেন বলে প্রচার পায়। টাকা গ্রহণকারী ছবি দেখা গেলেও, প্রদানকারীর ছবি না দেখানোয় জনমনে বিভ্রান্তি ও ধোঁয়াশা থেকেই যায়।

এক নিমিশে তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, অনলাইন, প্রিন্ট ও ইলেকট্রিক মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে পড়ে। বিষয়টি রাজশাহী জেলা পুলিশের নজরে আসলে এ.এস.আই হারুনুর রশীদকে সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ লাইনে ক্লোজ করা হয়। সূত্রে জানা গেছে, সাব্বির ক্লিনিকে তাহেরপুর এলাকার জী’ আদ্যাক্ষর নামক এক সাংবাদিক ক্লিনিকে প্রবেশ করে অনুমতি না নিয়ে,

রোগীর সাক্ষাতকার গ্রহণের নামে মালিককে হেনস্তা করার চেষ্টা করেন। ক্লিনিক মালিক বাগমারা থানা পুলিশকে অবহিত করলে, এএসআই হারুন সেটির তদন্ত করেন। ফলে ওই সাংবাদকিকের সাথে এএসআই হারুনের মনোমালিন্য হয় এবং দেখে নেয়ার হুমকি দেয়। সংশ্লিষ্ট তাহেরপুরস্থ মা টেলিকমের সত্বাধিকারী তুহিন আহম্মেদের কাছে সরাসরি জানতে চাইলে তিনি বলেন,

তিনি আমার কাছ থেকে পাওনা দুই হাজার টাকা নিয়েছেন। ঘুষ নেয়ার কোন প্রশ্নই ওঠে না। আমার বাবার পুলিশ প্রশাসনে চাকরীর সুবাদে হারুন আংকেলের সাথে আমাদের ভালো সম্পর্ক । তাহেরপুর জুয়েলারি সমিতির সদস্য মিলন শাহ, ফুটবল কোচ আকরাম হোসেন মালা,পৌর সভার প্যানেল মেয়র বাবুল খাঁ বলেন, টাকা গ্রহণের বিষয়টি সঠিক নয়।

একজন নির্দোষ মানুষকে ফাঁসানো উচিত নয় বলে তাঁরা মন্তব্য করেন। বাগমারা থানায় সদ্য যোগদানকৃত ওসি মোস্তাক আহম্মেদ এর নিকট মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি জানান, এ ধরণের একটি অভিযোগ ওঠেছে, তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।