বাগমারায় পল্লী বিদ্যুতের ভুতুড়ে বিলে হয়রানির শিকার গ্রাহক

 নুর কুতুবুল আলম, বাগমারায় প্রতনিধি: রাজশাহীর বাগমারায় পল্লী বিদ্যুতের ভুতুড়ে বিদ্যুত বিলে অহরহ হয়রানির শিকার হচ্ছেন হাজারো গ্রাহক। কোনো ভাবে ভুতুড়ে বিদ্যুত বিল নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না, পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ। আর এতে প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের শ্রমজীবী মানুষ নানা ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। গ্রাহকদের সময় ও গাঁটের টাকা খরছ করে বিদ্যুৎ বিল সংশোধন করতে হচ্ছে উপজেলা সদরে এসে। সূত্রে জানা যায়, উপজেলার হামিরকুৎসা ইউনিয়নের কালুপাড়া গ্রামের দশির খানের আগষ্ট মাসের বিদ্যুৎ বিল জরিমানাসহ দুই হাজার আটশত তিন টাকা ধরিয়ে দেয়া হয়। আর এ বিল দেখে তিনি রীতি মতো অবাক হন।

সংশোধিত বিদ্যুৎ বিল এক হাজার একাশি টাকা। আজ বৃহস্পতিবার সকালে বাগমারা পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসে কালুপাড়া গ্রামের মৃত রহিমুদ্দিনের ছেলে অটো চার্জার ভ্যান চালক দশির খান বিদ্যুৎ বিল সংশোধনের জন্য অফিসে আসেন। সংশোধনের এক পর্যায়ে লাইনে দাঁড়ান। দশির খান সাংবাদিকদের অভিযোগ করেন, সময়ের চলে যাওয়ার অজুহাতে তাঁকে ফিরিয়ে দেয়া হলো। অপর ভুক্তভুগি ভবানীগঞ্জ পৌর সভার বাচড়া মোহল্লার মৃত ইচমতুল্যার ছেলে আবু তালেব জানান, আগষ্ট মাসের বিদ্যুৎ বিল জরিমানাসহ এক হাজার ছয়শত সাতান্ন টাকা ধরিয়ে দেয়া হয়। সংশোধিত বিদ্যুৎ বিল নয় শত পঞ্চান্ন টাকা।

ঝিকড়া এলাকার আসাদুল ইসলাম, কাঠালবাড়ী গ্রামের হুজুর আলী, ভবানীগঞ্জ পৌর এলাকার মোফাজ্জল হোসেন, কিসমত বিহানালী গ্রামের রহিদুল ইসলামসহ উপজেলার ১৬ টি ইউনিয়ন এবং ২ টি পৌর সভার শতাধিক পল্লী বিদ্যুতের গ্রাহক অনুরূপ অভিযোগ করেন। এ সমস্ত বিষয় নিয়ে পল্লী বিদুৎ সমিতি নাটোর-১ বাগমারা জোনাল অফিসের ডিজিএম সুলতান উদ্দীনকে মোবাইল ফোনে অবহিত করা হলে তিনি জানান, আমার গ্রাহক প্রায় এক লক্ষ আর মিটার রিডার মাত্র ৪৫/৪৬ জন। তার পরও তাঁরা যদি ভুল রিডিং তুলে তাঁহলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।