বাগমারায় থেমে নেই অবৈধ পুকুর খনন

 নুর কুতুবুল আলম, বাগমারা প্রতিনিধি: রাজশাহীর বাগমারায় থেমে নেই অবৈধ পুকুর খনন। ফসলী জমিতে অবৈধ পুকুর খনন কোনো ভাবেই বন্ধ করা যাচ্ছে না। প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে অতি মুনাফা লোভী প্রভাবশালীরা দিনে রাতে ম্যানেজনীতিতে পুকুর খনন কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। স্বল্প সময়ে খনন কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে অত্যাধুনিক খনন যন্ত্র। উপজেলার গনিপুর ইউনিয়নের খালিমপুর বিলে প্রভাবশালী রিপন হাজী, আউচপাড়া ইউনিয়নে আচিনপুর মৌজায় মোস্তাক গং এবং ভবানীগঞ্জ পৌর এলাকায় দরগা মাড়িয়া মহল্লায় এরশাদুল হক, গোয়ালকান্দি ইউনিয়নের দক্ষিণ সাঁজুড়িয়া-রামরামা মৌজায় আনোয়ার মাষ্টার গং পুকুর কেটে ফসলী জমি নষ্ট করে চলেছেন।

সূত্রে জানা গেছে আরও কয়েকটি বিলে বিশালাকৃতির পুকুর খননের প্রস্তুতি চলছে। প্রভাবশালীদের ভয়ে ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকরা মুখ খুলতে শাহস দেখান না। নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন কৃষক জানিয়েছেন, পুকুর খননের ফলে পুকুরের আশ পাশের লাখেরাজ সম্পত্তি অনাবাদি হয়ে পড়বে। ল’ইয়াস সোসাইটি ফর ল এর পক্ষে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের এ্যাডভোকেট জালাল উদ্দীন উজ্জল হাইকোর্টে রিট পিটিশন দায়ের করলে, (রিট পিটিশন নং ৪৩৫৩/২০১৭) হাইকোর্টের মহামান্য বিচারপ্রতি নায়মা হায়দার এবং মহামান্য বিচারপ্রতি আবু তাহের মো. সাইফুর রহমান, বাগমারা উপজেলা নির্বাহী অফিসার সহ সংশ্লিষ্টদের নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার জন্য নির্দেশ প্রদান করেন।

এরশাদুল, মোস্তাক এবং রিপন হাজীর নিকট সরাসরি জানতে চাইলে পুকুর খননের বৈধ কোনো দলিল দস্তাবেজ তাঁরা দেখাতে সক্ষম হননি। ভবানীগঞ্জ পৌর এলাকার আবুল কালাম মন্ডল অবৈধ পুকুর খনন বন্ধে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহমুদুল হাসানকে অবহিত করলে তিনি পুকুরের অবস্থান ম্যাসেজ আকারে চান। বাগমারা উপজেলা নির্বাহী অফিসার শরিফ আহম্মেদ এর নিকট মুঠোফোনে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি পুকুরগুলোর অবস্থান সমন্ধে সিএ শহিদুল ইসলামকে অবহিত করার পরামর্শ দেন।