বাউফলে আজ ১৯ গ্রামে ঈদুল ফিতর উদযাপন

সঞ্জয় ব্যানার্জী , দশমিনা-বাউফল প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর বাউফলে সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে ১৯ গ্রামের প্রায় ২২ হাজার মানুষ আজ রোববার পবিত্র ঈদুল ফিতর উদ্যাপন করেছে। সৌদি আরব সহ বিশ্বের অন্যান্য মুসলিম দেশের সাথে সমন্বয় রেখে প্রতিবছর এই গ্রামের মানুষগুলো ১দিন আগে রোজা রাখেন এবং ১দিন আগে ঈদুল ফিতর উদযাপন করেন। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এ বছরের ২৩ এপ্রিল পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ উদিত হলে ২৪ এপ্রিল এই পরিরারগুলো প্রথম রোজা শুরু করেন।

সেহেতু আজ ২৪ মে রবিবার ৩৫শত পরিবারের প্রায় ২২ হাজার মানুষ ঈদুল ফিতরের উৎসব পালন করেছেন। বিশ্ব উম্মাহ’’র কেন্দ্রবিন্দু সৌদি আরবে ২৩মে শাওয়াল মাসের চাঁদ উদিত হওয়ায় আজ ২৪ মে ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে তারা পবিত্র ঈদুল ফিতর পালন করেন। তাদের সাথে মিল রেখে বাউফল উপজেলার বগা, বানাজোরা, বামনিকাঠী, ধাউড়াভাঙ্গা, চাঁদপাল, সাবপুরা, রাজনগর, শাপলাখালী(পুরাতন), শাপলাখালী (নতুন), কনকদিয়া, সূর্দী, দ্বিপাশা, গোসিংগা, মদনপুরা, চন্দ্রপাড়া, মাঝপাড়া, তাঁতেরকাঠী ও কাশিপুর গ্রামের পরিবারগুলো আজ পবিত্র ঈদুল ফিতরের উৎসব পালন করেছে।

সকাল সারে আটটায় ঈদের প্রথম ও প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয় শাপলাখালি মাদ্রাসা সংলগ্ন শাহসূফী মমতাজিয়া জামে মসজিদে। ওই নামাজে খুতবা প্রদান করেন শাহসুফি মমতাজিয়া সুন্নিয়া মাদ্রাসার সুপার মাওলানা মুহাম্মদ আবু সাইদ চৌধুরী। মাদ্রাসার সাবেক অধ্যক্ষ মাওলানা সাহাবুদ্দিন জানান, হানিফী মাযহাবের মতে শাওয়াল মাসের চাঁদ পশ্চিম আকাশে দেখা দিলে উহার সংবাদ পূর্বপ্রান্তে এসে পৌছাইলে সকলের জন্য ঈদ করা ওয়াজিব হয়ে যায়। বাংলাদেশে এর প্রধান আয়োজক চট্রগ্রামের চন্দানাইশ শাহসুফি মমতাজিয়া দরবার শরীফ ও সাতকানিয়া উপজেলার মির্জাখীল দরবারের অনুসারীরা।