বাংলাদেশে ধর্মের ভেদাভেদ নেই: তথ্যমন্ত্রী

মোঃ রাশেদ, চট্টগ্রাম প্রতিনিধিঃ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘বাংলাদেশে ধর্ম যার যার উৎসব কিন্তু সবার। আমাদের দেশে মুসলমান,হিন্দু, বৌদ্ধ , খ্রিস্টান কোনো ভেদাভেদ নেই। মুসলমানদের কোরবানির ঈদ উদযাপিত হচ্ছে, কিন্তু এটি সবার উৎসব।’

নিজ নির্বাচনী এলাকা চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ার সুখবিলাস গ্রামে ধর্মাঙ্কুর বৌদ্ধবিহারে এক অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা গ্রামে সকল ধর্মের মানুষ একসাথে ভাই-ভাই হিসেবে বড় হয়েছি। এটি সমগ্র বাংলাদেশের চিত্র। কিন্তু আমাদের গ্রামে এই সম্প্রীতি অন্যান্য জায়গার তুলনায় আরও বেশি। আমাদের এখানে কখনো কোনো ভেদাভেদ ছিল না, ভবিষ্যতেও থাকবে না। কেউ চেষ্টা করলেও সেটা নষ্ট করতে পারবে না।’

হাছান মাহমুদ বলেন, ‘বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের যখন প্রবারণা পূর্ণিমা অনুষ্ঠান হয় তখন ফানুস উড়ানো হয়। তখন কিন্তু শুধু বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের মানুষ নয়, সবাই মিলে ফানুস উড়ান। সবাই কিন্তু সেই উৎসবে শামিল হন। আমাদের যখন ঈদ উৎসব হয়, তখন মুসলমানদের বাড়িতে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান সবাই যান। এটাই আমাদের দেশের ঐতিহ্য। এই ঐতিহ্য যুগ যুগ ধরে চলে আসছে।’

বৌদ্ধবিহারের অধ্যক্ষ প্রজ্ঞাজ্যোতি মহাস্থবিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান স্বজন কুমার তালুকদার, রাঙ্গুনিয়া বৌদ্ধ কৃষ্টি প্রচার সংঘের সভাপতি জ্ঞানবংশ মহাথের, ঊর্ধ্বতন সভাপতি পরমানন্দ মহাথের, বাটাপাহাড় সার্বজনিন শালবন বিহার অধ্যক্ষ সুমনতিষ্য থের, ফলহারিয়া সদ্ধর্মলঙ্কার বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ দেবময় ভিক্ষু, পশ্চিম শিলক বনরত্ন বিহারের অধ্যক্ষ সিদ্ধার্থ বংশভিক্ষু, রঞ্জন বড়ুয়া, আশীষ বড়ুয়া, অধীর বড়ুয়া, রাজন তালুকদার শিবলু, বিধু মুৎসুদ্দী, টিটু বড়ুয়া।