বাংলাদেশর কাছে ওয়ানডে ম্যাচে হোয়াইটওয়াশ উইন্ডিজ

সফরকারীদের হোয়াইটওয়াশের লজ্জায় ফেললো টাইগাররা। সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ১২০ রানের বিশাল ব্যবধানে হারিয়েছে তামিমবাহিনী।

সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচে ১২২ ও ১৪৮ রান করে ৬ ও ৭ উইকেটে হারে উইন্ডিজ। সোমবার সিরিজের শেষ ম্যাচে হোয়াইটওয়াশ এড়াতে নেমে ২৯৮ রানের টার্গেট তাড়ায় ১৭৭ রানে অলআউট সফরকারীরা।

সিরিজের শেষ ম্যাচে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ (৬৪*), মুশফিকুর রহিম (৬৪), তামিম ইকবাল (৬৪) ও সাকিব আল হাসানের (৫১) ফিফটিতে ভর করে ২৯৭ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর গড়ে বাংলাদেশ।

জবাবে  দলীয় ৭ রানে উইকেট হারায় উইন্ডিজ। সিরিজের তিন ম্যাচেই বাংলাদেশ দলকে ব্রেক থ্রু উপহার দেন মোস্তাফিজুর রহমান। তার শিকার হয়ে সাজঘরে ফেরেন কেজর্ন ওটলি।

এরপর দলীয় ৩০ রানে উইন্ডিজ শিবিরে ফের আঘাত হানেন কাটার মাস্টার। তার দ্বিতীয় শিকারে পরিণত হন সুনীল অ্যামব্রিস। আগের ম্যাচে মোস্তাফিজের শিকারে পরিণত হওয়ার আগে ৭ ও ৬ রানে আউট হওয়া এই ওপেনার এদিন ফেরেন ১৩ রানে।

৩০ রানে দুই ওপেনারের উইকেট হারানো উইন্ডিজ খেলায় ফেরার আগেই হারায় তৃতীয় উইকেট। দলীয় ৪৮ রানে অফ স্পিনার মেহেদী হাসান মিরাজের শিকার হয়ে সাজঘরে ফেরেন কাইল মায়ার্স (১১)।

এরপর ৪৬ রানের ব্যবধানে ২ উইকেট হারায় উইন্ডিজ।  দলীয় ৭৯ রানে আউট হন অধিনায়ক জেসন মোহাম্মদ। তার আগে ৩৬ বল খেলে করেন ১৭ রান। দলের ব্যাটিং বিপর্যয়ে হাল ধরার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন এনকেরুমা বোর্ন। ৬৬ বলে ৩১ রান করা এই ব্যাটসম্যানকে সাজঘরে ফেরান মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন।

৫ রানে মিরাজের দ্বিতীয় শিকারে পরিনত হন জার্মি হ্যামিল্টন। দার্দান্ত খেলতে যাওয়া রোভম্যান পাওয়েলকে আউট করেন সৌম্য সরকার। তার আগে ৪৯ বলে দুই চার ও দুই ছক্কায় দলীয় সর্বোচ্চ ৪৭ রান করে ফেরেন তিনি।

১১ রানে রান আউট আলজারি জোসেফ। আকিল হোসেনকে রানের খাতা খুলতে দেননি সাইফউদ্দিন। ৪৬ বলে ২৭ রান করা রায়মন রেফারকে ফেরান তাসকিন আহমেদ।