বাঁশখালীতে বেড়াতে আসা তরুণীকে ধর্ষণ করে আবারো আলোচনায় সেই নূরু

মোহাম্মদ এরশাদ, বাঁশখালী প্রতিনিধি: বাঁশখালীতে চট্টগ্রাম শহর থেকে ঈদ উপলক্ষে বেড়াতে আসা এক তরুণী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন।

গত শনিবার বিকাল সাড়ে পাঁচটার দিকে সাধনপুরের লটমনি পাহাড়ি এলাকায় দুই স্বজন সহ বেড়াতে গেলে চার ব্যক্তি

তাকে আটকে রেখে ধর্ষণ করে। সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে পালিয়ে আসতে সক্ষম হন ওই তরুণী। ওইদিন রাত এগারোটার দিকে

বিষয়টি থানায় জানায় ধর্ষণের শিকার হওয়া ওই তরুণী ও তার স্বজনেরা। অভিযুক্ত প্রধান ব্যক্তি হল নুরুল কবির (৩৫)।

এ সময় তার সহযোগীরা ছিল মোহাম্মদ বাহাদুর (২৬), সৈকত (২৭) এবং অজ্ঞাত আরো এক ব্যক্তি।

ওই নারীকে ধর্ষণ করে ডাকাত নুরুল কবির। ধর্ষণের শিকার ঐ তরুণী জানান, তিনি চট্টগ্রাম শহরে পোশাক কারখানায় চাকরি করেন।

সাধনপুরের ছয় নম্বর ওয়ার্ডের রুপন কান্তি দেকে তিনি ভাই বলে ডাকতেন। ঈদে তাদের বাড়িতে বেড়াতে এসেছিলেন।

তার নিজ বাড়ি খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায়। তিনি আরো বলেন, গত শনিবার বিকেলে রুপন কান্তির পরিচিত প্রণব দে (২০)

ও রাজ দাশ (২০) সহ সাধনপুরের লটমনি পাহাড়ি এলাকায় ডিএসএলআর ক্যামেরা নিয়ে ঘুরতে যান।

সেখানে নুরুল কবির সহ তার আরো তিন সহযোগী তাদের গতিরোধ করে এবং মারধর শুরু করে।

ক্যামেরাটিও কেড়ে নেয়। এক পর্যায়ে ওই তরুণীকে জোর করে ধর্ষণ করে নুরুল কবির। সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে

বাঁশখালী প্রধান সড়কের কাছে পালিয়ে আসে সেই তরুণী। এক ব্যক্তির সাহায্যে রাত এগারোটার দিকে পুলিশের শরণাপন্ন হন।

বাঁশখালী থানার অধীনস্থ রামদাশ হাট পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এস আই) রফিকুল ইসলাম আজ রবিবার দুপুরে বলেন,

কিছুক্ষণ আগে ভিকটিমের লোকজন ফাঁড়িতে এসেছে। তাদের সাথে কথা বলা হচ্ছে। ঘটনা সত্য

ধর্ষণের ঘটনাটি মূলত ঘটিয়েছে নুরুল কবির। সে এলাকায় চিহ্নিত ডাকাত হিসেবে পরিচিত। এ ঘটনায় তার আরো

কয়েকজন সহযোগী ছিল। মামলা দায়েরের কাজ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। উল্লেখ্য নুরুল কবিরের বিরুদ্ধে ডাকাতি, ধর্ষণ সহ

অসংখ্য মামলা রয়েছে। ২০১৪ সালে সে বানীগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে ধর্ষণ করেছিল। ২০১৭ সালে সে অস্ত্র সহ বাঁশখালী থানা পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়।