বঙ্গবন্ধু ও আওয়ামী লীগের আদর্শে বিশ্বাসী, মনোনয়ন প্রত্যাশী হেলাল

সুকুমল কুমার প্রামানিক, রাণীনগর (নওগাঁ) প্রতিনিধি: আমার পরিবার জাতির জনক বঙ্গবন্ধু ও আওয়ামী লীগের আদর্শে বিশ্বাসী। যতদিন বেঁচে থাকবো তত দিন আওয়ামী লীগের আদর্শে চলবো।

এলাকায় সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদ নির্মূল করতে এবং প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা সরকারের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে আমি উপ-নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেতে দলীয় মনোনয়ন উত্তোলন করেছি। আওয়ামী লীগের সাথে আমার ও আমাদের পরিবারের রক্তে মিশে আছে।

গত ২০১৮ সালে নির্বাচনে আমি এই আসন থেকে দলীয় মনোনয়ন তুলেছিলাম। আশা করছি এবার মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাকে বঞ্চিত করবেন না। জনগণের ভাল বাসায় আমি দুই বার বিপুল ভোটে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছি।

প্রধানমন্ত্রী যদি আমাকে মনোনয়ন দেন তাহলে বিপুল ভোটে জয়লাভ করে সরকারকে এ আসন উপহার দিতে পারবো বলে আশা ব্যক্ত করেন নওগাঁ-৬ (রাণীনগর-আত্রাই) আসনে উপ-নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী রাণীনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন হেলাল।

তিনি আরো বলেন, ২০০১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় এলে সাবেক গৃহায়ণ ও গণপ্রতিমন্ত্রী আলমগীর কবির এ আসনে আওয়ামী লীগকে নিশ্চিন্ন করার জন্যে নির্যাতনের মাত্রা বেড়ে যায়। তার পরিবারের উপর বিভিন্ন মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করে। একই বছরে তার ছোট ভাই রাণীনগর থানা যুবলীগের সভাপতি নজরুল ইসলামকে সর্বহারা দল জবাই করে হত্যা করে। সে সময় এ উপজেলার আওয়ামী লীগ পরিবারের উপর ব্যাপক নির্যাতন করা হয়।

আর এ দু:সময়ে তিনি আওয়ামী লীগের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। হামলা-মামলা থেকে নেতাকর্মীদের রক্ষা করেছেন। অর্থাৎ কান্ডারী হিসেবে আবিভূত হয়েছিলেন। বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালীন পর্যন্ত এই নির্যাতন চালানো হয়। এই নির্যাতন থেকে বাঁচতে পথ খুঁজতে থাকেন। জানা গেছে, এমতাবস্তায় সারাদেশের প্রেক্ষাপট পরিবর্তন হলে উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আনোয়ার হোসেন হেলাল ও তার অনুসারীরা নিয়ে ২০০৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে স্থানীয় আওয়ামী লীগ মনোনিত ইসরাফিল আলমকে বিপুল ভোটে জয়লাভ করতে সহযোগিতা করেন।

সে সময় ইসরাফিল আলমের সাথে সু-সম্পর্ক থাকলেও ক্ষমতা নিয়ে দ্বন্দ্ব দেখা দেয় আনোয়ার হোসেন হেলাল এর সাথে ইসরাফিল আলমের। আনোয়ার হোসেন হেলাল বলেন, সদ্য প্রয়াত ইসরাফিল আলম এমপি নির্বাচিত হওয়ার পর যা ইচ্ছা তাই করেছেন। আমার পরিবারের উপর নয়টি হয়রানি মিথ্যা মামলা করিছেন। এ ছাড়াও তার অনুসারীদের বিভিন্ন মিথ্যা মামলা দিয়ে জেল-হাজত খাটিয়েছেন। আসন্ন উপ-নির্বাচনে এলাকার জনগণ আমার পক্ষে আছে।

মাঠে আমার অবস্থান ভাল। জননেত্রী শেখ হাসিনা যদি মনোনয়ন দেয় তাহলে নির্বাচন কবর এবং বিজয়ী হবে বলে আশাবাদী। রাণীনগর ও আত্রাই উপজেলা নিয়ে নওগাঁ-৬ আসন গঠিত। এ আসনটি জাতীয় সংসদের ৫১ নম্বর নির্বাচনী এলাকা। উপ-নির্বাচনকে ঘিরে এ দুই উপজেলায় নির্বাচনী আমেজ বইতে শুরু করেছে। এ আসনে আওয়ামী লীগ থেকে ৩৪ জন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন।

উপ-নির্বাচনে এ আসনটি ধরে রাখতে চেষ্টা আওয়ামী লীগ প্রার্থীদের। উল্লেখ্য, গত ২৭ জুলাই নওগাঁ-৬ আসনের এমপি ইসরাফিল আলম মারা গেলে আসনটিকে নির্বাচন অফিস থেকে শুণ্য ঘোষণা করা হয়। ইতি মধ্যে মনোনয়ন পেতে প্রায় ৩৪ জন মনোনয়ন প্রত্যাশী আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন উত্তোলন করেছেন।