বঙ্গবন্ধুর আত্মত্যাগ বিশ্বব্যাপী স্বীকৃতি পেয়েছে: রিজিয়া রেজা চৌধুরী

রতন দাশ, সাতকনিয়া প্রতিনিধিঃ মহিলা আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য রিজিয়া রেজা চৌধুরী বলেছেন, পঁচাত্তরের ঐ কালরাতে ঘাতকদের হাতে নির্মমভাবে নিহত হয়েছিলেন বাঙালীর স্বপ্নদ্রষ্টা, সর্বকালের শ্রেষ্ঠ বাঙালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। সেই সাথে নিহত হয়েছিলেন তার কনিষ্ঠ শিশু পুত্র রাসেল ও পরিবারের সকল সদস্য। সেদিন ভাগ্যক্রমে বেঁচে যান জাতির জনকের দুই মেয়ে শেখ হাসিনা ও শেখ রেহেনা।

শুক্রবার (২১ আগষ্ট) বিকাল তিন টায় নগরীর বহদ্দারহাট নদভী প্যালেসে কনফারেন্স রুমে সাতকানিয়া-লোহাগাড়া মহিলা আওয়ামীলীগে’র উদ্যোগে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৫ তম শাহাদাত বার্ষিকী ও ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় শহীদের স্মরণে দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভায় অনুষ্ঠিত হয় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, স্বাধীনতা বিরোধী অপশক্তি বাঙালী জাতির হৃদয় থেকে মুছে ফেলতে চেয়েছিল বঙ্গবন্ধুর নাম। তবে ইতিহাস বিকৃতির মাধ্যমে বা জোর করে কারো নাম বা অবদানকে মুছে ফেলা যায় না। ইতিহাস তার আপন গতিতে চলে। হয়তো সাময়িক বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা যায়। বঙ্গবন্ধুর শাহাদাত বার্ষিকী ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস রাষ্ট্রীয়ভাবে পালিত হচ্ছে। বিশ্বব্যাপী বঙ্গবন্ধুর আত্মত্যাগের স্বীকৃতি মিলেছে।

তিনি আরো বলেন, ২০০৪ সালে ২১ আগস্ট বিএনপি জামাত জোট সরকার জননেত্রী শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগের নেতৃস্থানীয় নেতাকর্মীদের হত্যা করে আওয়ামী লীগকে নেতৃত্ব শূণ্য করতে চেয়েছিল, কিন্ত সেদিন আ’ লীগের প্রান প্রিয় নেত্রী শেখ হাসিনা বেঁচে গেলেও জাতী মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী আইভি রহমানসহ অনেক নেতাকর্মীকে হারিয়েছে। অনেকে আহত হয়ে চিরদিনের মতো পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন।

এই সময় উপস্থিত ছিলেন নারীনেত্রী হাবিবা নাজনীন মুন্নি, নার্গিস আক্তার মুন্নি, চম্পা দেবী, সুলেখা বড়ুয়া, নুরুন্নাহার, জিনিয়া আক্তার, নাসরুন আক্তার, রেহেনা আক্তার, ফরিদা আক্তার, রুবায়েত তাবাসুম, পারভীন আক্তার, শামীমা আক্তার, হাসিনা আক্তার, রওশন আরা নুর বানু, ফরিদা ইয়াসমিন ও শামীম আক্তার প্রমুখ।